শুক্রবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে NDA ও NCPI সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে পূর্ব ভারতকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার বার্তা নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi)। এদিন উদ্ভব শিবির থেকে শিন্ডে শিবিরে যোগ দেওয়া সাংসদরাও উপস্থিত ছিলেন। NCPI-র ১৯ জন সাংসদ সকালে বাসে করে নির্ধারিত সময়ে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে পৌঁছে যান। শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে দেব (Dev ) অবশ্য বৈঠকে যোগ দেননি। সূত্রের দাবি, তৃণমূলত্যাগী সাংসদদের আপাতত ধৈর্য ধরে নিজের এলাকায় কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন মোদি (Narendra Modi)। পাশাপাশি শতাব্দী রায় - সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়দের নিয়ম করে যোগা (Yoga) করার কথাও নাকি মনে করিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
এনডিএর তরফ থেকে ডাকা গত দুবারের বৈঠকে মুর্শিদাবাদের তিন সাংসদ অনুপস্থিত থাকলেও এদিন খলিলুর রহমান, আবু তাহের খান (Abu Taher Khan) এবং ইউসুফ পাঠানদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। আবু তাহের জানান, নিজেদের সংসদীয় এলাকার উন্নয়নের কথা দেশের সর্বোচ্চ আসনে বসে থাকা ব্যক্তিকে বলার সুযোগ মিলেছে। সূত্রের খবর, বৈঠকে নাকি নিজেদের আলাদা স্বীকৃতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এনসিপিআই সাংসদরা। যদিও এক্ষুনি সেই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেবে বিজেপি সরকার, এমন আশ্বাস মেলেনি। প্রধানমন্ত্রী সব সাংসদদের নিজের এলাকায় কাজ করার নির্দেশ বলেন, “নিজের রাজ্য এগিয়ে গেলেই, দেশের উন্নতি হবে।” কেন্দ্রের ‘লুক ইস্ট’ নীতি নিয়েও এদিন আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
বৈঠক শেষে বাইরে এসে সাংসদ শতাব্দী রায় (Shatabdi Roy) বলেন, প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন সব সাংসদ তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি ব্রেকফাস্ট টেবিলে আড্ডার ছলে যোগা করার পরামর্শ দিয়েছেন। বলেছেন, বছরে একবার করে সম্পূর্ণ শারীরিক চেকআপ করার প্রয়োজনীয়তার কথা। উত্তর কলকাতার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (Sudip Bandopadhyay) বলেন, যেভাবে প্রধানমন্ত্রী আর সকলের সঙ্গে কথা বলেছেন আলোচনা করেছেন সেটা প্রশংসনীয়। নরেন্দ্র মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ চুঁচুড়ার সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
















