কলকাতা ৩১°সে
ব্রেকিং
ভারী বৃষ্টি-বন্যায় বিপর্যস্ত কেরলম! বাড়ছে মৃতের সংখ্যাঅসুস্থ ভাইজান! অনুষ্ঠান চলাকালীন শুয়ে পড়লেন সলমন, তারপর....অনুমতি ছাড়াই ছুটির দিন শেষ! সিভিক ভলেন্টিয়ারদের নিয়ে জারি কড়া নির্দেশিকাভুটানে ভূমিকম্প, রিখটার স্কেলে তীব্রতা ৪.৭!নন্দীগ্রামের ধৃত কংগ্রেস প্রার্থীর ১৪ দিনের জেল হেফাজত! উপনির্বাচনের আগেই কেন পদক্ষেপ? উত্তর মিললপুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের শৌচালয়ে উদ্ধার কমান্ডোর দেহ!কোনও অর্থ ব্যয় ছাড়াই গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ আমেরিকার হাতে! দাবি ট্রাম্পেরনন্দীগ্রামের পর রেজিনগর, মনোনয়ন প্রত্যাহার মমতার দলের প্রার্থী রবিউলেরগ্রেফতারির পর থেকে খোঁজ নেই মিলনের! বিপদজনক পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা কংগ্রেসের, নির্লিপ্ত কমিশননন্দীগ্রামে পুরনো মামলায় গ্রেফতার কংগ্রেস প্রার্থী, 'স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট আচরণ' তোপ কুণালেরভারী বৃষ্টি-বন্যায় বিপর্যস্ত কেরলম! বাড়ছে মৃতের সংখ্যাঅসুস্থ ভাইজান! অনুষ্ঠান চলাকালীন শুয়ে পড়লেন সলমন, তারপর....অনুমতি ছাড়াই ছুটির দিন শেষ! সিভিক ভলেন্টিয়ারদের নিয়ে জারি কড়া নির্দেশিকাভুটানে ভূমিকম্প, রিখটার স্কেলে তীব্রতা ৪.৭!নন্দীগ্রামের ধৃত কংগ্রেস প্রার্থীর ১৪ দিনের জেল হেফাজত! উপনির্বাচনের আগেই কেন পদক্ষেপ? উত্তর মিললপুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের শৌচালয়ে উদ্ধার কমান্ডোর দেহ!কোনও অর্থ ব্যয় ছাড়াই গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ আমেরিকার হাতে! দাবি ট্রাম্পেরনন্দীগ্রামের পর রেজিনগর, মনোনয়ন প্রত্যাহার মমতার দলের প্রার্থী রবিউলেরগ্রেফতারির পর থেকে খোঁজ নেই মিলনের! বিপদজনক পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা কংগ্রেসের, নির্লিপ্ত কমিশননন্দীগ্রামে পুরনো মামলায় গ্রেফতার কংগ্রেস প্রার্থী, 'স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট আচরণ' তোপ কুণালের
শিরোনামরাজ্য

সিঙ্গুরের জমিতে ফলছে সোনার ফসল, মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে স্বস্তিতে কৃষকরা

সিঙ্গুরের জমিতে ফলছে সোনার ফসল, মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে স্বস্তিতে কৃষকরা

সিঙ্গুরের জমিতে ফলছে সোনালী ফসল। আর এতেই মুখে হাসি ফুটেছে সিঙ্গুরের(Singure) চাষিদের। সিঙ্গুরের যে সমস্ত জমি অধিগ্রহণ করেছিল তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার সেই জমি ফেরতের দাবি নিয়েই সেইসময় চাষিদের সাথে লড়াই করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ( Mamata Banarjee)। আর সেই লড়াইয়ের জয়ের পরেই পালাবদল ঘটে রাজ্যে। ক্ষমতায় আসে তৃণমূল সরকার। আর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই সিঙ্গুরের অধিগ্রহণ হওয়া জমি ফেরতের উদ্যোগ নেন। আর চাষিরা ফেরত পান জমি। এরপর ২০১৬ সালে অক্টোবর মাসে গোপালনগর এলাকায় নিজে হাতে চাষের জমিতে সর্ষে বীজ ছড়িয়ে চাষের সূচনা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়( Mamata Banarjee)।

এর কয়েক মাস পর থেকেই হলুদ সর্ষে ফুলে ছেয়ে যায় গোটা জমি। আর তারপর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি এলাকার চাষিদের। তাদের জমি ফেরত থেকে শুরু করে সেই জমি চাষযোগ্য করে তোলা— সবটাই হয়েছে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে।

আর এখন সিঙ্গুরের গোপালনগর, খাসেরভেড়ি, বেরাভেড়ি, বাজেমেলিয়া, সিংহেরভেরি-সহ ক্রমশ বেড়েই চলেছে চাষের জমির পরিধি। আর ফেরত পাওয়া সমস্ত জমিতেই এখন হচ্ছে ধান, সর্ষে, আলু, বাদাম-সহ সমস্ত রকম চাষ। আর চাষ করে হাসি ফুটেছে সিঙ্গুরের চাষিদের মুখে। আর যে কিছুটা জমি এখন চাষযোগ্য হয়নি সেইসব জমিরও চাষযোগ্য করে তোলার কাজ চলছে জোরকদমে।

স্থানীয় চাষি সুশান্ত বাগুই বলেন, সেইসময় আমরা শিল্পের বিরোধী ছিলাম না। আমরা শুধু বলেছিলাম আমাদের দো-ফসলি আর তিন-ফসলি জমি ছেড়ে দিয়ে শিল্প হোক। কিন্তু তখন আমাদের কথা কেউ শোনেনি। কিন্তু দিদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের তখন পাশে দাঁড়িয়েছিল। আর প্রথম থেকেই উনি বলেছিলেন আমরা আমাদের চাষের জমি ফেরত পাব, আর এখন দেখুন আমরা আমাদের চাষের জমিতে আবার সোনার ফসল ফলাচ্ছি। যে-মরশুমে যে-ফসল হয় সেই সব ফসলই আমাদের চাষ হচ্ছে। আর সমস্ত জমিতেই আমরা চাষ করছি।

 

আরেক চাষি সুশীল সামন্ত বলেন, মাঝেমধ্যেই আমরা কিছু জায়গায় দেখি অনেকে বলছে সিঙ্গুরের জমিতে নাকি এখন আর চাষ হয় না। কিন্তু তারা কেন মিথ্যা বলেন বুঝি না। আপনারা বাইরে থেকে না দেখে একটু গ্রামের ভিতরে আসুন দেখুন যে আমরা যে জমি ফেরত পেয়েছি সব জমিতেই চুটিয়ে আমরা ফসল ফলাচ্ছি আর আমাদের সংসার এই চাষের উপর দিয়েই চলে যাচ্ছে। আর রোডের উপর দিকের কিছু জমি সেই সময় কিছু মানুষ ব্যবসার জন্য কিনে রেখেছিল শুধু সেই কিছু জমিতে তাঁরা চাষ করেন না। বাকি আমরা সব চাষিই আমাদের ফেরত পাওয়া জমিতে চাষ করছি।

গোপালনগর এলাকায় এক চাষি সুশান্ত ঘোষ চাষের জমিতে জল দিতে দিতে বলেন, আপনারা তো আজ নিজেই এসে দেখছেন চারিদিকে শুধু সবুজ আর সবুজ। এখন আলু চাষ হচ্ছে, আলু উঠে গেলেই আমরা বাদাম চাষ করব। আবার কিছু জমিতে বোরো ধানের বীজ ফেলা হয়ে গেছে। তাহলে কারা বলছে চাষ হচ্ছে না! যারা বলছে তারা যদি কিছু ফাঁকা জমির ছবি দেখিয়ে এসব বলে। তারা একটু আমাদের যে বেশিরভাগ জায়গায় চাষ হচ্ছে সেটাও বলুক।

 

আরেক চাষি প্রীতম ঘোষ সর্ষেখেতে কাজ করতে করতে বলেন, আমরা সত্যিই কৃতজ্ঞ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। উনি জমি আন্দোলনের সময় বলেছিলেন প্রাণ দেব তবু কারও জমি জোর করে নিতে দেব না। আর তিনি কথা রেখেছেন। আমাদের চাষিদের জমি তিনি ফেরত দিয়েছেন সাথে চাষযোগ্য করে দিয়েছেন। আমরা এখন এই সমস্ত জমিতেই সোনার ফসল ফলাচ্ছি। আমাদের বাপ- ঠাকুরদা এসব জমিতে চাষ করত, আমরাও সেই চাষ করছি। আর যারা এখন বলছে যে সিঙ্গুরে চাষ হয় না তাদের বোঝা উচিত সিঙ্গুরে আগে যেভাবে চাষ হত সেভাবেই এখন চাষ হচ্ছে আর আমরা সত্যিই কৃতজ্ঞ রাজ্য সরকারের প্রতি।

 

কৃষি জমি আন্দোলনের সাথে যুক্ত পলাশ ঘোষ বলেন, আমরা প্রথম থেকেই বলেছিলাম কৃষি আমাদের ভিত্তি আর শিল্প আমাদের ভবিষ্যৎ। আর আমাদের দিদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেইমতো কৃষি আর শিল্প দুইয়ের পক্ষেই। আর এখন আমাদের সিঙ্গুরের অধিগ্রহণ হওয়া প্রায় আশি শতাংশের বেশি জমিতে চাষিরা চাষ করে তাতে ফসল ফলাচ্ছে। আর একদম অল্প কিছু জমি যেটা পড়েছিল সেটাতেও আমাদের বিধায়ক মন্ত্রী বেচারাম মান্নার উদ্যোগে চাষের উপযোগী করে দেওয়ার কাজ চলছে। সেটাও খুব তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে চাষও শুরু হয়ে যাবে। বিরোধীরা ভোট এলেই আমাদের সিঙ্গুর নিয়ে কুৎসা শুরু করে কিন্তু আপনি দেখবেন প্রত্যেক ভোটেই সিঙ্গুর থেকে তৃণমূল কংগ্রেস সব থেকে বেশি ভোট পায় আর আগামী দিনেও পাবে।

 

আর এই বিষয়ে সিঙ্গুরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী বেচারাম মান্না বলেন, রমরমিয়ে চলছে সিঙ্গুরে চাষের কাজ। সিঙ্গুরের অধিগ্রহণ করা জমির আশি শতাংশ জমিতেই বর্তমানে চাষের কাজ চলছে। আর এই চাষের কাজ সম্প্রতি শুরু হয়নি। ২০১৬ সালে মুখ্যমন্ত্রী চাষের সূচনা করার পর থেকেই হচ্ছে চাষের কাজ। তবে কিছুটা জমিতে এখন চাষ হচ্ছে না। মোট জমির ১৫ শতাংশ কারখানা সংলগ্ন। সেই সব জমির মালিক কারখানা কর্তৃপক্ষ। ভবিষ্যতে কারখানা সম্প্রসারণের জন্য জমি কিনে রেখেছিলেন। সেখানে চাষ করার মানসিকতা তাদের নেই। তবুও চাষের কাজে জমি ব্যবহারের জন্য তাদের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। এছাড়া পাঁচ শতাংশ যে জমি বাকি থাকছে সেটাও চাষযোগ্য করে তোলার কাজ জোরকদমে চলছে। বাকি সমস্ত জমিতেই ধান, আলু, সর্ষে, বাদাম, তিল-সহ বিভিন্ন সবজি চাষ হচ্ছে।

ইতিমধ্যেই অধিগ্রহণ করা জমিতে চাষের সুবিধার জন্য ৬১টি গভীর নলকূপ বসানো হয়েছে। পাশাপাশি বর্ষার জল সেচের কাজে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একটা বড় খাল তৈরির কাজও চলছে। সেই জলও চাষের জমিতে ব্যবহার করা যাবে। আরও ভালভাবেই চাষিরা চাষ করতে পারবে।

 

সিঙ্গুরের এক বাসিন্দা বিকাশ ঘোষ বলেন, আমাদের সিঙ্গুরে এখন চাষ আর শিল্প একসাথেই হচ্ছে। সমস্ত জমিতেই চলছে চাষ। আবার অপরদিকে বিশাল ওয়ার হাউস তৈরি হচ্ছে যেখানে বহু ছেলে-মেয়ে চাকরিও পাবে। আমাদের সিঙ্গুরের কাছে এটা খুবই আনন্দের।

-

-

Sponsored

Merlin In Article

-

-

Sponsored

Shyam Sundar In Article

-

-

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

আরও পড়ুন

বন্ধ হতে পারে রেশন কার্ড! ১ অক্টোবর থেকে বড় পদক্ষেপ, জানুন বিস্তারিত
শিরোনাম

বন্ধ হতে পারে রেশন কার্ড! ১ অক্টোবর থেকে বড় পদক্ষেপ, জানুন বিস্তারিত

২১/৯/২০২৬1 মিনিট পড়া
প্রতীক আপাতত ফ্রিজ হলেও অ্যাকাউন্ট ব্যবহারে কোনও বাধা নেই; নির্দেশ হাইকোর্টের
শিরোনাম

প্রতীক আপাতত ফ্রিজ হলেও অ্যাকাউন্ট ব্যবহারে কোনও বাধা নেই; নির্দেশ হাইকোর্টের

২১/৯/২০২৬1 মিনিট পড়া
রুগ্ন পশুদের দেখে উদ্বেগ, আলিপুর চিড়িয়াখানার পরিকাঠামোয় ক্ষুব্ধ বনমন্ত্রী
শিরোনাম

রুগ্ন পশুদের দেখে উদ্বেগ, আলিপুর চিড়িয়াখানার পরিকাঠামোয় ক্ষুব্ধ বনমন্ত্রী

২০/৯/২০২৬1 মিনিট পড়া
টানা ৩ দিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক! নড়েচড়ে বসল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক
শিরোনাম

টানা ৩ দিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক! নড়েচড়ে বসল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক

২০/৯/২০২৬1 মিনিট পড়া
SIR গেরোতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা! নোটিশ পেলেন ধনকড়ও
শিরোনাম

SIR গেরোতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা! নোটিশ পেলেন ধনকড়ও

২০/৯/২০২৬1 মিনিট পড়া
জয়ন্তী নদীর বুকে অস্থায়ী রাস্তা, নির্মাণকাজ ঘিরে প্রশ্ন
শিরোনাম

জয়ন্তী নদীর বুকে অস্থায়ী রাস্তা, নির্মাণকাজ ঘিরে প্রশ্ন

২০/৯/২০২৬1 মিনিট পড়া

More from শিরোনাম

View All →