Site Logo

বিচারাধীনদের মীমাংসায় তালিকা প্রকাশ করুন: ধর্না মঞ্চ থেকে জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা কল্যাণের

EBBS Desk·
বিচারাধীনদের মীমাংসায় তালিকা প্রকাশ করুন: ধর্না মঞ্চ থেকে জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা কল্যাণের

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে এসআইআরের শেষ পর্যায়েও কীভাবে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন তা একের পর এক তুলে ধরলেন তৃণমূল সাংসদ কল্য়াণ বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিকে স্বৈরাচারী অমিত শাহর নির্দেশে বাংলার মানুষের উপর অত্য়াচার করার সব রকম প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। অন্যদিকে তিনি যেভাবে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) মাধ্যমে দেশের আধিকারিকদের ব্যবহার করছেন তাতে লজ্জা পাচ্ছে দেশের আইএএস-কূল। এই পরিস্থিতি থেকে দেশের মানুষকে নিরাপত্তা দিতে পারে একমাত্র দেশের সংবিধানের শিক্ষা। তাই বাংলার পাঠক্রমে একেবারে ছোট বয়স থেকে সংবিধানকে (Constitution of India) অন্তর্ভুক্ত করার জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর (Chief Minister) কাছে আবেদন জানালেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)।

Sponsored

Sranchi In Article

ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে তৃণমূলের ধর্নার দ্বিতীয় দিনেও বিকালের সভায় প্রথম বক্তা ছিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমেই তিনি উল্লেখ করেন সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকার কথা। স্পষ্ট করে দেন কীভাবে নির্বাচন কমিশন সেই তালিকা প্রকাশ না করে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করা হচ্ছে। কল্যাণ দাবি করেন, গতকাল সব বক্তব্য আমরা গতকাল রেখেছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তার পরে ২৪ ঘণ্টা কেটে গেলেও একটি সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সুপ্রিম কোর্ট দুটি কথা বলেছিল খুব গহুরুত্বপূর্ণ। ১০ দিনের মধ্যে যে জুডিশিয়াল অফিসারদের (judicial officer) নিয়োগ করা হয়েছে তারা অ্যাডজুডিকেশন (adjudication) তালিকা সম্পূর্ণ করবে। দশদিন তো দূরের কথা, আজ প্রায় ১৫ দিনের উপর হয়ে গেল. এখনও পর্যন্ত শেষ তো দূরের কথা একটি সাপ্লিমেন্টরি তালিকা (supplementary voter list) কিন্তু এলো না। সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অনুযায়ী মানুষেক মধ্যে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সাপ্লিমেন্টরি তালিকা প্রকাশ হল না।

সেই তালিকা প্রকাশের দাবি মঞ্চ থেকে তুলো কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি, অঘোষিত সূত্রে জানতে পারছি, মাত্র ৭লক্ষ লোকের মীমাংসা হয়েছে। তার মধ্যে ৩ লক্ষ বাতিল, ৪ লক্ষ তালিকাভুক্ত। যদি সেটা সত্যি হয়, তবে নির্বাচন কমিশনের উচিত কারণ তুলে ধরে সেই তালিকা প্রকাশ করতে। সুপ্রিম কোর্ট যে পদ্ধতি বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের নিয়োগ করার নির্দেশে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির জন্য, সেই অনুযায়ী যে রকমভাবে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা পাশ করবেন তেমন তেমন তালিকা (supplementary voter list) প্রকাশ করা উচিত ছিল।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিচারাধীন মীমাংসার প্রক্রিয়া চলাকালীন কমিশনের আরও এক কারচুপি তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, ২০ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছিল সেখানে বলা হয়েছিল ১৪টি নথি গ্রাহ্য হবে। ১৪ টি নথির যে কোনও একটি দিলেও তাকে গ্রাহ্য করতে হবে। যে ৭ লক্ষ মানুষের বিবেচনা (adjudicate) করেছেন, তার মধ্যে যে ৩ লক্ষকে বাদ দিয়েছেন তাঁরা কোন নথি দিয়েছিলেন? যদি একটি নথিও (document) তাঁর পক্ষে থাকে তাহলে আপনি তাঁকে বাদ দিতে পারেন না।

যে উদ্দেশ্য নিয়ে নির্বাচন কমিশন এভাবে বাংলার মানুষের নাম বাদ দেওয়ার কাজ করছে, তা অমিত শাহর অঙ্গুলি হেলনেই হচ্ছে, দাবি কল্য়াণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেখানেই কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার শাহর নির্দেশে চলছেন, তা তুল ধরতে গিয়ে কল্যাণ দাবি করেন, নির্বাচন কমিশনার শরৎচন্দ্রের মেজদা। আপনি বিজেপির চামচা। অমিত শাহ ঘরের চাকর। চামচাবাজি করেন। আইএএসকূলের আপনি লজ্জা। ভারতের ব্যুরোক্রাটিক সিস্টেম বেচে দিয়েছেন।

আরও পড়ুন : দেশকে বেচেছেন মোদি! গ্য়াসের দাম বাড়ানোয় ‘এপস্টেইন’ প্রসঙ্গে তুলে চাপ বাড়ালেন মমতা

সাধারণ মানুষ এই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারবে যখন সংবিধানে দেওয়া অধিকার নিয়ে তাঁদের সুস্পষ্ট ধারণা থাকবে, মত কল্য়াণের। সেখানেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁর আবেদন, সংবিধান (Constitution of India) ছোট থেকে স্কুলে পড়ানো উচিত। দিদির কাছে অনুরোধ করব - আবার ২৪০-২৫০ আসন নিয়ে আপনি মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন, কেউ আটকাতে পারবে না - এরপরের পাঠক্রম যখন আসবে সেখানে কোথাও একটা মানুষের অধিকার কী সংবিধানে, সেটা রাখতে হবে। যাতে মানুষ সজাগ হয়। তাঁদের মাথায় সাংবিধানিক অধিকার মাথায় ঢুকে যায়।

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →