Site Logo

ভ্যানিশ কুমার প্রতিদিন নির্লজ্জতার নতুন নতুন নজির গড়ছেন: কমিশন-বিজেপিকে নিশানা তৃণমূলের

EBBS DESK·
ভ্যানিশ কুমার প্রতিদিন নির্লজ্জতার নতুন নতুন নজির গড়ছেন: কমিশন-বিজেপিকে নিশানা তৃণমূলের

রাজ্যে ভোটের কাজে পাঠানো চার সাধারণ পর্যবেক্ষককে নিয়ে চুড়ান্ত ক্ষোভ তৃণমূলের (TMC)। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে মন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu) ও সাংসদ সায়নী ঘোষ (Shaoni Ghosh) বনগাঁ, মধ্যমগ্রাম, বালিগঞ্জ এবং গাজোল বিধানসভা কেন্দ্রের ওই চার পর্যবেক্ষকের ছবি ও পরিচয় প্রকাশ করে জানান, ”শাহের কথায় জ্ঞানের কুমার আধিকারিক নিয়োগ করেছে।” তাঁদের আরও দাবি, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ওই চার আধিকারিককে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই নির্বাচন কমিশন এখানে পর্যবেক্ষক করে পাঠিয়েছে। এঁরা এসেছেন মহারাষ্ট্র, ওড়িশা, মধ্যপ্রদেশ এবং অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে। এঁদের নামে একাধিক গুরুতর অভিযোগও রয়েছে বলেও জানান সায়নী।

Sponsored

Sranchi In Article

ব্রাত্য বসু বলেন, “কীভাবে জ্ঞানেশ কুমার, তাঁর বস অমিত শাহের পরামর্শে বেছে বেছে লোক পাঠাচ্ছে দেখুন, এগুলো তার জ্বলন্ত প্রমাণ।” চার জন পর্যবেক্ষকের নাম ছবি দিয়ে পোস্টার প্রকাশ্যে এনে সায়নী ও ব্রাত্য দেখান ছবির নীচে রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ডিটেইলস, সঙ্গে লেখা ‘EXPOSE’। বলেন, ”অজয় কাটেশারিয়া আগে মধ্যপ্রদেশে বিজেপি সরকারের সময়ে ছাতনায় কালেক্টরেটের কাজ করতেন। তাঁর বিরুদ্ধে প্রায় ৪০ একর সরকারি খাস জমি টেন্ডার ছাড়াই বিলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তৎকালীন মধ্যপ্রদেশ সরকার শিবরাজ সিং চৌহান তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেন। একটি কমিশনও গঠন করা হয়। তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর সরকার পরিবর্তন হয় মধ্যপ্রদেশে। শিবরাজ সিং চৌহান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়ে যান। পরে বিজেপি সরকার অজয়কে ক্লিন চিট দেন। এক বিজেপি সরকার তাঁকে দুর্নীতির জন্য অভিযোগ করছে, আরেক বিজেপি সরকার তাঁকে ছাড় দিচ্ছে। ধীরজ কুমার, গাজোলের পর্যবেক্ষক মহারাষ্ট্র সরকারের অধীনে হেলথ কমিশনার হিসাবে কাজ করতেন। তাঁর বিরুদ্ধে ৮ হাজার কোটি টাকার অ্যাম্বুলেন্সের টেন্ডার দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ৮ দিনের মাথায় টেন্ডার ডাকা হয়। জানা গিয়েছিল স্থানীয় নেতার আত্মীয়কে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য টেন্ডার ডাকা হয়েছিল। অরিন্দম ডাকুয়া, মধ্যমগ্রামের পর্যবেক্ষক। তিনি ওড়িশায় CMO-তে সচিব হিসাবে কাজ করতেন। তিনি মন্ত্রীর দফতের লিয়াজো হিসাবে কাজ করতেন। বালিগঞ্জের পর্যবেক্ষক গান্ধম চান্দ্রুদুর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, পণ, লেনদেন, হেনস্থার অভিযোগ রয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশে একটি পণ সংক্রান্ত মামলায় আদিবাসী সম্প্রদায়ের এক পরিবারের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। গান্ধম বিজেপির ঘনিষ্ঠ আমলা ।”

এর পরেই কমিশনকে তোপ দেগে সায়নী বলেন, ”এই মানুষগুলির উপরই নির্বাচন কমিশন বাংলায় অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সুনিশ্চিত করার দায়িত্ব দিয়েছে। কমিশন বিজেপির একটি নিয়োগকারী সংস্থায় পরিণত হয়েছে। দুর্নীতিবাজ, জমি কেলেঙ্কারির মাথা, যৌতুক মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং বিজেপির প্রতি অনুগতদের বাংলাজুড়ে অবজারভার হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে। এভাবেই শ্রী ভ্যানিশ কুমার প্রতিদিন নির্লজ্জতার নতুন নতুন নজির গড়ছেন।”

প্রসঙ্গত, এর আগেও বিহারের বিজেপি (BJP) নেত্রীর স্বামী জয়ন্ত কান্তকে মালদহের চার কেন্দ্রে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা নিয়ে মুখ খুলেছিল তৃণমূল (TMC)। কমিশনে অভিযোগও জানানো হয়। ফের একবার চারজন পর্যবেক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের পর্দা ফাঁস করে প্রতিবাদ করা হল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে।

-

-

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →