Site Logo

অভিযুক্তর কোমরে দড়ি পরিয়ে ‘ইচ্ছাকৃত সম্মানহানি’ কেন? রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব হাই কোর্টের

EBBS DESK·
অভিযুক্তর কোমরে দড়ি পরিয়ে ‘ইচ্ছাকৃত সম্মানহানি’ কেন? রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব হাই কোর্টের

অভিযুক্তের উপর অনেক রাগ-ক্ষোভ থাকতে পারে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারে পুলিশ কিন্তু ইচ্ছাকৃত ভাবে তাঁর সম্মানহানি করতে পারে না।। এটা করা উচিৎ নয়। সংবিধানও একে সমর্থন করে না। গ্রেফতারের পরে কোমরে দড়ি দিয়ে রাস্তায় ঘোরানো নিয়ে আইনজীবী ওমর ফারুক গাজির করা জনস্বার্থ মামলায় স্পষ্ট জানিয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta High Court)। শুক্রবার, এই সংক্রান্ত মামলায় হাই কোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর গ্রীষ্মাবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চের পর্যেবক্ষণ, পুলিশ (Police) অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারে। কিন্তু তার পরে ইচ্ছাকৃত ভাবে তাঁর সম্মানহানি করতে পারে না। তিন-চারটি ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজ্যের কাছে তিন সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট তলব করল আদালত। রিপোর্ট দিতে হবে মানবাধিকার কমিশনকেও।

Sponsored

Sranchi In Article

রাজ্য পালা বদলের পরে একের পর এক গ্রেফতারি চলছে। বিশেষ করে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা ও তাঁদের ঘনিষ্ঠ বা আত্মীয়দের নানা অভিযোগে ধরছে পুলিশ। আর তার পরে দেখা যাচ্ছে কোমরে দড়ি পরিয়ে সারা এলাকা ঘুরিয়ে তাঁকে পুলিশের গাড়িতে তোলা হচ্ছে। কাউকে কাউকে জামার কলার ধরে চেনে গাড়িতে তুলছে পুলিশ। কোথাও আবার অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়ার সময় উত্তেজিত এলাকাবাসীও ধৃতকে আক্রমণ করছে। এই বিষয় নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেন ফারুক গাজির।
আরও খবরবসিরহাটে প্রশাসক সরিয়ে পুরবোর্ড ফেরানোর আর্জি, কলকাতা হাইকোর্টে মামলা

সেই মামলার শুনানিকে এদিন আদালত জানতে চায় গ্রেফতারির পর কেন অভিযুক্তকে কোমরে দড়ি পরিয়ে রাস্তায় ঘোরাচ্ছে পুলিশ? বিচারপতিদের পর্যেবক্ষণ, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারে পুলিশ কিন্তু তার পর ইচ্ছাকৃত ভাবে তাঁর সম্মানহানি করতে পারে না। বিচারপতি সেনগুপ্তের মন্তব্য, “পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারে। আইন মেনে তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপও করতে পারে। দোষ প্রমাণিত হলে তাঁকে ফাঁসিতেও চড়াতে পারে। কিন্তু গ্রেফতারের নামে ইচ্ছাকৃত ভাবে অভিযুক্তদের সম্মানহানি করতে পারে না।“ তিন-চারটি ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজ্যের কাছে ৪ সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট তলব করল হাই কোর্ট (Calcutta High Court)।

রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়, ধৃতদের বিরুদ্ধে মূলত তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। অপরাধের পুনর্নির্মাণের জন্য তাঁদের ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তার পুলিশ আধিকারিকদের রাজ্যকে সতর্ক করতে বলেছে হাই কোর্ট। ডিভিশন বেঞ্চ জানতে চায়, অভিযুক্তদের পালিয়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনা আছে কি? সে ক্ষেত্রে সব ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে পুলিশকে। ধৃতদের সম্মানের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত ও বিচারপতি স্মিতা দাস দে-র ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, ঘটনার প্রেক্ষাপট সম্পর্কে যাবতীয় জানিয়ে রাজ্যকে রিপোর্ট দিতে হবে। হাই কোর্টের নিয়মিত বেঞ্চে এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

-

-

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →