রাজ্যে পালাবদলের পর টলিপাড়াতেও একাধিক বদল এসেছে। বয়কট সংস্কৃতি তুলে দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করতে দেখা গেছে সেলিব্রেটি বিজেপি বিধায়কদের। পাশাপাশি আবার ফেডারেশনের পরিবর্তে এসেছে কনফেডারেশন তত্ত্ব এবং কিছুটা বিতর্কও বটে। এসবের মাঝেই টেকনিশিয়ানদের (Technicians) কাজের পারিশ্রমিক ও সময়সীমা নির্ধারণ করতে বুধবার নন্দনে আয়োজিত বৈঠকে যোগ দিলেন না টালিগঞ্জের বিধায়িকা পাপিয়া অধিকারী (Papiya Adhikari)। কনফেডারেশনের সদস্যদেরও দেখা যায়নি। বৈঠকে অংশ নেননি সেলিব্রেটি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়ও (Hiran Chatterjee)। যদিও রাজ্য সরকারের (Govt of West Bengal) তরফে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি বিধায়ক রূপা গঙ্গোপাধ্যায় (Roopa Ganguly)- রুদ্রনীল ঘোষরা (Rudranil Ghosh)। তবে পাপিয়ার অনুপস্থিতি ঘিরে ইতিমধ্যেই একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তাহলে কি নতুন সরকার গঠনের আড়াই মাস যেতে না যেতেই বাংলা বিনোদন জগতের রাজনীতিতে নয়া মোড়!

ক্ষমতার পালাবদলের পর গ্রেফতার হয়েছেন স্বরূপ বিশ্বাস। বিজেপি সরকার গঠনের পর ফেডারেশন সংগঠন ভেঙে যায়। পরে খুব স্বাভাবিকভাবেই একাধিক বিষয় নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন টেকনিশিয়ানরা। এর মধ্যে আবার কনফেডারেশন নামক সংগঠনে যোগ না দেওয়ায় কয়েকজন টেকনিশিয়াদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাই টলিপাড়ার কর্মপদ্ধতির অব্যবস্থা রুখতে বুধবার রাজ্য সরকারের তরফে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি বিধায়কদের উপস্থিতিতে একটি মিটিং ডাকা হয় নন্দনে (Nandan)। মোটামুটি ভাবে সদর্থক আলোচনা হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিনেমার ক্ষেত্রে বারো ঘণ্টার শিফট এর উল্লেখ করা হয়েছে। সিরিয়াল এবং ওটিটি এর ক্ষেত্রে আট ঘণ্টার শিফট হবে। যদিও টেকনিশিয়ানদের পারিশ্রমিকে এখনই কোনও বদল হচ্ছে না। রুদ্রনীল (Rudranil Ghosh) জানান, ‘বেশ কিছু নিয়ম নীতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। একটা এসওপি তৈরি করা হবে। ভবিষ্যতে সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ বুধবার নন্দনে উপস্থিত হওয়া সত্ত্বেও পাপিয়ার মিটিংয়ে অংশগ্রহণ না করার বিষয়ে অভিনেতা বিধায়ক বলেন, ‘একদিনে সকলকে অ্যাকোমোডেট করা সম্ভব হয় না। আর আজ যাঁরা আসেননি ভবিষ্যতে নিশ্চয়ই আসবেন।’ টালিগঞ্জের বিধায়িকার তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ফোনে যোগাযোগ করা যায়নি হিরণের সঙ্গেও।