রাজ্যে আসন্ন পুরনির্বাচনের (Municipal Election in State) প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রথম দফায় কলকাতা, হাওড়া, বালি, কালিম্পং, কার্শিয়াং, ধূপগুড়ি এবং হলদিয়া পুরসভায় ভোট হতে পারে। শুক্রবার সাত জেলাশাসক ও জেলা পুর নির্বাচন আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনই ইঙ্গিত দিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার কৃষ্ণ গুপ্ত। তবে চূড়ান্ত সূচি রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনার পরই ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
বৈঠকের পর কমিশনের (West Bengal Election Commission) প্রকাশিত প্রেস নোটে জানানো হয়েছে, কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগমের ওয়ার্ড সংরক্ষণের চূড়ান্ত তালিকা ৭ অক্টোবর এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পুরসভার ক্ষেত্রে ৬ অক্টোবর প্রকাশ করা হবে। প্রথম পর্যায়ের ভোটে কলকাতা, হাওড়া, বালি, কালিম্পং, কার্শিয়াং, ধূপগুড়ি ও হলদিয়াকে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন।রাজ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচন পরিচালনার সব প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। ইভিএম জেলার হাতে তুলে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই তা শেষ হবে। ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত প্রথম স্তরের প্রযুক্তিগত পরীক্ষা (ফার্স্ট লেভেল চেকিং বা এফএলসি) হবে। একইসঙ্গে ভোটকর্মী নিয়োগ, সেক্টর পরিকল্পনা, আইনশৃঙ্খলা, ভলনারেবিলিটি ম্যাপিং এবং নির্বাচনী ব্যয়ের উপর নজরদারির প্রস্তুতিও চলছে।
আরও পড়ুন: হাই কোর্টে বড় ধাক্কা মিলনের, খারিজ রক্ষাকবচ
তিনি জানান, প্রায় ৬,৩০০টি বুথে ভোট গ্রহণের জন্য ৩৭ হাজারেরও বেশি ভোটকর্মী প্রয়োজন হবে। প্রতিটি বুথে ১+৩ অনুপাতে কর্মী মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রগুলিতে নিশ্চিত ন্যূনতম পরিকাঠামো (এএমএফ) খতিয়ে দেখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনকে। এদিন ডিলিমিটেশন নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে কমিশনার বলেন, কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগমের সীমানা পুনর্নির্ধারণ রাজ্য সরকার সংশ্লিষ্ট আইনের অধীনে করেছে। অন্যদিকে, প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অন্যান্য পুরসভার ডিলিমিটেশন করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এ নিয়ে কমিশনের কাছে এখনও কোনও অভিযোগ আসেনি বলেও জানান তিনি।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কেন্দ্রীয় বাহিনী না রাজ্য পুলিশ—এই প্রশ্নে কৃষ্ণ বলেন, পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পাশাপাশি তিনি জানান, রাজ্য সরকারের তরফে নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারির পর রাজনৈতিক দলগুলিকে নিয়ে সর্বদল বৈঠক ডাকা হবে।কমিশনের বক্তব্য, আপাতত প্রথম দফার নির্বাচন নিয়েই প্রস্তুতি চলছে। বাকি পুরসভাগুলির নির্বাচন পরবর্তী পর্যায়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই স্থির করা হবে।
















