গণতন্ত্রের জন্যে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন প্রয়োজন: ‘ঘরে ফেরা’র বিষয়ে সাফ বললেন হাসিনা

বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রত্যাবর্তন প্রয়োজন। তবে, সেটা কোনও নির্দিষ্ট দিনের উপর নির্ভরশীল নয়। দাবি করেছেন বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Seikh Hasina)। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাসিনা বলেন, "প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি কোনও নির্দিষ্ট তারিখ বা সময়ের ওপর নির্ভরশীল নয়। আমরা বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক অধিকার এবং আইনের শাসন পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছি।"
Sponsored

গণঅভ্যুত্থানের ফলে ২০২৪ সালের অগাস্টে ক্ষমতাচ্যুত হন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা (Seikh Hasina)। সেদিন থেকেই ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন আওয়ামি লিগের নেত্রী (Awami League Leader)। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তঁকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছে। তারপর থেকেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে প্রত্যর্পণের জন্যে ভারতের (India) কাছে দাবি জানাচ্ছে বাংলাদেশ। কিন্তু এখনও কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি দিল্লি (New Delhi)। এই পরিস্থিতিতে এদিন প্রত্যাবর্তনের কথা শোনা গেল হাসিনার মুখে।
Sponsored

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে হাসিনা বলেন, "প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি কোনও নির্দিষ্ট তারিখ বা সময়ের ওপর নির্ভরশীল নয়। আমরা বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক অধিকার এবং আইনের শাসন পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছি। এটি শুধু আমার প্রত্যাবর্তনের জন্যই নয়, বরং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্যও প্রয়োজনীয়।"
Sponsored

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট জানান, তাঁর নীরবতা তাঁর দুর্বলতা মনে করলে ভুল হবে। তাঁর কথায়, ”একটি বিষয় খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই আমার অনুপস্থিতির অর্থ আমার নীরবতা নয়। আমি প্রতি মুহূর্তে দেশের জন্য লড়াই করছি এবং আমরা কূটনৈতিক পর্যায়ে, আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোর মধ্যে দিয়ে এবং বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।”
Sponsored

বাংলাদেশে আওয়ামি লিগের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে নেত্রী বলেন, ”এটি জনগণের দল। শুধু কাগজ-কলমে একে বিলুপ্ত করা যায় না। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও বিলুপ্ত করা গেলে বাংলাদেশের জন্মই হত না।”
Sponsored

ভারত-বাংলাদেশে সম্পর্কের বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যার মত, “ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। ভারত শুধু আমাদের প্রতিবেশীই নয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে এই দেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দেশের কিছু রাজনৈতিক ও উগ্রপন্থী গোষ্ঠী ভারত-বিরোধী বক্তব্যকে রাজনীতিকরণ করে আসছে। মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারও একই কাজ করেছিল।”
Sponsored

-
-
-
-
Related Articles

ককরোচদের উপর লাঠিচার্জের প্রতিবাদ করে আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা-অখিলেশ! মোদির বাসভবনের সামনে উত্তেজনা
6h ago

‘নেতা-মন্ত্রীরা নিজেদের ভগবান মনে করছেন? ছাত্র-বিক্ষোভে লাঠিচার্জে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন অরিজিৎ
6h ago

ককরোচদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ! জবাব চাইতেই মোদির বাড়ির সামনে বিক্ষোভ রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের
7h ago

ওয়াংচুকের চিকিৎসায় হাসপাতাল বদলের অনুমতি আদালতের
9h ago

আজ কোথায় কত দাম পেট্রোল-ডিজেলের? দেখে নিন এক নজরে
10h ago

পাশে নেই কর্মী-সমর্থকরা, দিল্লিতে কোনওমতে একুশে জুলাই পালন সুদীপ-কাকলিদের
11h ago





