সপ্তাহের শুরুতেই সরগরম রাজধানী দিল্লি।  সোমবার থেকে সংসদে বাদল অধিবেশন(Monsoon Session) শুরু হচ্ছে, একইদিনে সংসদ ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছে  ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)।

তৃণমূল এনসিপিআই সংঘাতে অধিবেশন শুরুর আগেই তপ্ত সংসদ। তৃণমূল নয় এনসিপিআইকে লোকসভায় সামনের সারিতে বসার অনুমতি দিয়েছেন স্পিকার। যা নিয়ে সংঘাত তীব্রতর হয়েছে। 

এই এই অধিবেশনে একগুচ্ছ নতুন বিল পেশ করবে সরকার।  কেন্দ্র আনতে চলেছে এফসিআরএ সংশোধনী বিল। পাশাপাশি আজই পেশ করা হতে পারে জাতীয় সম্মানের অবমাননা (প্রতিরোধ) বিল। এই বিলে বন্দেমাতরম গানের অবমাননা করা হলে তিন বছর পর্যন্ত জেল ও জরিমানার বিধান দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, বাদল অধিবেশনে কেন্দ্রীয় সরকার পাঁচটি বিল পেশ করতে পারে।  এরমধ্যে আয়কর সংক্রান্ত, জন্ম ও মৃত্যু রেজিস্ট্রেশন সংশোধনী বিলও আছে।

তবে শাসক বিরোধী সংঘাত চরমে উঠতে পারে। বিরোধীরা এই অধিবেশনে সুর চড়াবে নিট-ইউজি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস, রাম মন্দিরের অনুদান চুরির মতো ইস্যু নিয়ে

 

 

এদিকতে, সোমবার দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে সংসদ পর্যন্ত মিছিলের ডাক দিয়েছে সিজেপি।  দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে,  এই কর্মসূচির জন্য উদ্যোক্তারা তাদের কাছ থেকে কোনও অনুমতি নেননি।

ইতিমধ্যেই মধ্য দিল্লিতে সংসদ ভবন লাগোয়া এলাকায় ১৬৩ ধারা (পূর্বের ১৪৪ ধারা) ধারা জারি করা হয়েছে। ফলে পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ । দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, আগাম অনুমতি নিয়ে কেবল যন্তর মন্তরে মিছিল কিংবা সভা-সমাবেশ করা যাবে। এর বাইরে কোথাও এই ধরনের কোনও কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হবে না।

অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতি-সংবেদনশীল এলাকাগুলোকে কার্যত দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। ইতিমধ্য়েই মোতায়েন করা হয়েছে ৫ হাজারেরও বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ান। গোয়েন্দা রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেপ্রতি মুহূর্তের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন উচ্চপদস্থ কর্তারা।মোদির বাসভবনে কড়া প্রহরা দেওয়া হয়েছে।