বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দিয়েছেন স্পিকার। লোকসভাতেও তৃণমূলত্যাগী এনসিপিআই (NCPI) সাংসদদের কি স্বীকৃতি দিচ্ছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা? পরপর সিদ্ধান্ত সেই জল্পনা উসকে দিচ্ছে। বাদল অধিবেশনের আগে রবিবার এগারোটা নাগাদ সর্বদল বৈঠক ডেকেছেন লোকসভার অধ্যক্ষ। সেখানে ডাক পেয়েছেন তৃণমূল (TMC) থেকে এনসিপিআই-তে যাওয়া সাংসদরা। এদিকে এনসিপিআই সাংসদদের লোকসভায় আলাদা বসার আসন বরাদ্দ করেছেন ওম বিড়লা। সব মিলিয়ে কাকলিরা স্বীকৃতি পাচ্ছেন বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।
শনিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করলেন তৃণমূলত্যাগী NCPI নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (Sudip Banerjee)৷ দলের তরফে বৈঠকের খবর জানানো হলেও কী কী বিষয়ে কথা হয়েছে তা জানানো হয়নি৷ তারপরই খবর, সংসদের বাদল অধিবেশনের আগে এদিন সর্বদল বৈঠকে ডাক পেয়েছে এনসিপিআই।
পাশাপাশি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা জানিয়েছেন, তৃণমূলের সদস্যদের সঙ্গে আর বসবেন না ২০ জন নব্য এনসিপিআই সাংসদরা। তাঁদের বসার জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ উদ্ধব ঠাকরের দল থেকে একনাথ শিন্ডের শিবসেনায় মিশে যাওয়া ছয় সাংসদকেও স্বীকৃতি দিয়েছেন লোকসভার স্পিকার। শনিবার লোকসভার অফিস থেকে জারি করা অভ্যন্তরীণ সার্কুলারে বলা হয়েছে, শিবসেনার ১৩ সাংসদ এবং শিবসেনা (ইউবিটি)-র তিন সাংসদ আলাদা বসবেন। একইভাবে তৃণমূল থেকে এনসিপিআই-তে যাওয়া ২০ জন সাংসদও আলাদা বসবেন। এই সিদ্ধান্ত তাঁদের স্বীকৃতি দেওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগোল বলে মত রাজনৈতিক মহলের।
















