রাষ্ট্রপতির সময় চেয়েছে ইন্ডিয়া জোট। তিনি সময় না দিলে শুক্রবার মিছিল করেই দেশের সংবিধানিক প্রধানের সঙ্গে দেখা করবেন। বৃহস্পতিবার সন্ধেয় রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা জানিয়ে সাফ জানিয়ে দিলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ”দেশের সাংসদরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে চাইছেন। কেন তিনি দেখা করবেন না। ভয় কিসের? ”
এদিন সন্ধেয় রাজঘাটে শ্রদ্ধা জানান বিরোধী জোটের সাংসদরা। তার পরে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, দেশের সাংসদরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে চাইছেন। কেন তিনি দেখা করবেন না। ভয় কিসের? শুধু বিজেপি সাংসদদের সঙ্গে দেখা করবেন? রাজ্যসভা ও লোকসভার প্রায় ৩০০ জন সাংসদ প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে দেখা করতে ও প্রশ্ন করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁদের সঙ্গে দেখা করা হচ্ছে না। শুক্রবার রাষ্ট্রপতির কাছে সময় চেয়েছেন বিরোধী সাংসদরা। রাষ্ট্রপতি সময় না দিলে তাঁরা মিছিল করেই দেশের সাংবিধানিক প্রধানের সঙ্গে দেখা করবেন।
একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে বিরোধীদের সাক্ষাৎ ও বৈঠকের সরাসরি সম্প্রচারের দাবি করেন অভিষেক। তাঁর কথায়, নির্বাচন কমিশন যদি তাদের কাজের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ও স্বচ্ছ হয়, তবে কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের উচিত বিরোধীদের সঙ্গে বৈঠক করা এবং সেই বৈঠক সরাসরি টিভিতে সম্প্রচার করা।
‘INDIA’ জোটের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ইতিবাচক সাড়া পেলে তাঁরা আলোচনা করবেন, অন্যথায় সাংসদরা রাষ্ট্রপতি ভবনে হেঁটে যাওয়ার কর্মসূচি নেবেন।
আরও পড়ুন: নেতৃত্ব নিয়ে সংঘাত? NCPI-র সুদীপের নেতৃত্বাধীন বৈঠকে হাজির মাত্র ১০! অনুপস্থিত কাকলি- জুন-সায়নীরা
রাজঘাটে শ্রদ্ধা জানানো, যন্তরমন্তরে অবস্থান করা কিংবা নির্বাচন কমিশনের সময় চাওয়া কীভাবে নৈরাজ্য হতে পারে—তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিজেপি নেতৃত্বের প্রতি প্রশ্ন তোলেন। ভোটার তালিকা ও ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে অভিষেক বলেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনের পর ভোটার তালিকায় কারচুপির গুরুতর অভিযোগ তুলে তিনি দাবি করেন, বাংলায় প্রায় ৩০ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের বাদ দিয়ে কোনো একটি পোর্টালের মাধ্যমে কীভাবে এবং কার নির্দেশে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং নির্বাচন বাতিল ঘোষণা (null and void) করার দাবি তোলেন তৃণমূলের লোকসভার নেতা।















