আন্তর্জাতিক চাপের কাছে নতিস্বীকার করে উদ্ধার কাজে গতি আনতে নেপালের সরকার অন্যান্য দেশের থেকে সাহায্য নিতে রাজি হওয়ার পরই ভারতীয় সেনার বিশেষ টিম সেদেশে পৌঁছে অন্তত চার হাজার মানুষকে উদ্ধার করেছে বলে খবর। তৎপরতার উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে নেপালের সেনাবাহিনী ও বিপর্যয় মোকাবিলা টিম।শনিবার সকাল পর্যন্ত পাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১৬! নিখোঁজ কয়েক হাজার। নেপাল ও তিব্বতের সীমান্ত এলাকায় গঠিত একটি বিশালাকার অস্থায়ী হিমবাহ হ্রদ ফেটে জলোচ্ছ্বাস ও প্লাবনের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে বলে পারে বলে সতর্কতা জারি করেছে চিন। 

হড়পা বানে (Flash Flood) বিপর্যস্ত নেপালে এখনও নিখোঁজ অন্তত ৪০০ ভারতীয়। উদ্ধারকাজের মাঝেই জলস্তর বেড়েছে ভোতেকোশি নদীতে। স্যাটেলাইট ও ড্রোন দিয়ে পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে বেজিং।চিনের জলসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মতে, তিব্বত ও নেপালের সীমান্তে একটি পাহাড় ধসে প্রাকৃতিক ভাবে তৈরি হওয়া হ্রদের জল উপচে ইতিমধ্যেই ত্রিশূলী নদীতে মিশতে শুরু করেছে। হ্রদ ভাঙার আশঙ্কায় সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় বাড়ছে আতঙ্ক। 

নেপাল প্রশাসনের থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এদিন সকাল পর্যন্ত চিতোয়ান জেলা থেকে ২৩৩,গোর্খা থেকে ৪৮, নওয়ালপারসি পশ্চিম থেকে ৪৭, নওয়ালপারসি পূর্ব থেকে ১৫৮, ধাদিং থেকে ৪৫, তানাহুন থেকে ৩১, নুয়াকোট থেকে ৪১, এবং রাসুয়া থেকে ১৩ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বন্যাবিধ্বস্ত এলাকায় যাঁরা আটকে পড়েছেন হেলিকপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধার করে ত্রাণশিবিরে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। কাদা মাটির স্তূপের মাঝে এখনও চলছে প্রাণের খোঁজ।