ভারতে থেকেই বাংলাদেশে কর্মসূচি শুরু করে দিলেন শেখ হাসিনা। আগামী রবিবার বাংলাদেশের রাজধানী শহর ঢাকাতে লকডাউনের ডাক ডাক দিলেন আওয়ামী লিগের নেত্রী। শুক্রবার রাতে দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পরই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হাসিনা।
বাংলাদেশের সাপ্তাহিক সরকারি ছুটি শুক্র ও শনিবার। রবিবার সপ্তাহের প্রথম কাজের দিন। এই দিনটিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্মসূচি নিল আওয়ামী লিগ। দলীয় কর্মীদের ওপর অত্যাচার, গ্রেফতারি এবং মামলার প্রত্যাহারের দাবী জানিয়ে লকডাউন এর ডাক দিয়েছেন শেখ হাসিনা। শুক্রবার রাতে আওয়ামী লিগের সমস্ত নেতাদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন। দলের নেতা কর্মীদের সমস্ত শাখা সংগঠনকে রবিবারের লকডাউন কর্মসূচি সফল করতে পথে নামতে বলা হয়েছে।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে আগামী ডিসেম্বরে হাসিনার বাংলাদেশের প্রত্যাবর্তনের আগে পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে একাধিক কর্মসূচি পালন করবে আওয়ামী লিগ। এগুলি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে। বাংলাদেশের লকডাউন আসলে বনধ বা ধর্মঘটের সমতুল্য।
লিগের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা , খুনি ফ্যাসিস্ট ইউনুস সরকারের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার অবৈধ ও অসাংবিধানের মাধ্যমে প্রহসন মূলক বিচার প্রক্রিয়া চালু রেখেছে। আধুনিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সুশাসনের প্রতি কোনও রকম সম্মান জানানো হচ্ছে না এবং অবৈধভাবে বিচার বিভাগকে একের পর এক রায় দান করছে যা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত। সম্প্রতি অবৈধ ট্রাইবুনাল একটি প্রতিশোধ মূলক রায় দান করেছে। এই অসংবিধানিক ট্রাইব্যুনাল এর প্রতিবাদে রবিবার ঢাকা শহরে লকডাউন ঘোষণা করা হচ্ছে আওয়ামী যুব লিগ। ঢাকার নাগরিকদের এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে অনুরোধ করা হচ্ছে।
২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই দেশের বাইরে শেখ হাসিনা। যদিও ডিসেম্বর মাসেই তিনি দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন। দেশে ফিরলে তাঁর মৃত্যুদণ্ড হতে পারে কিন্তু তার কোন রকম তোয়াক্কা না করেই ফের একবার বাংলাদেশের প্রত্যাবর্তন করতে চাইছেন মুজিবর কন্যা।
















