কেমন আছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান? বেঁচে আছেন না মারা গিয়েছেন? কেউ কোনও খবর জানে না। ইতিমধ্যে জেলবন্দি ইমরানকে হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দিল পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট।
ইমরান কি জীবিত? প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তির নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
Sponsored

বহুদিন ধরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছিলেন পরিবার ও তাঁর দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই মঙ্গলবার কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা জেল থেকে ৭৩ বছরের ইমরানকে ইসলামাবাদের শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হবে। ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলবে। হাসপাতাল বদলের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সরকারের আপত্তি থাকলেও তা খারিজ করেছে সে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
আদিয়ালা জেলে বন্দি ইমরানের চোখের সমস্যা নিয়েও কয়েকদিন ধরে একাধিক দাবি সামনে এসেছে। সোমবার জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, চিকিৎসার পর তাঁর দৃষ্টিশক্তির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে এবং প্রায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে। তবে পিটিআই এবং তাঁর পরিবার সেই দাবিতে আস্থা রাখেনি। ৬ মাস আগে তাঁর আইনজীবী দাবি করেছিলেন, ডান চোখের প্রায় ৮৫ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার। আদালতে জমা দেওয়া চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিতে অবশ্য অন্য ছবি উঠে এসেছে। সেখানে ইমরানের রক্তচাপের ওঠানামা, হৃদস্পন্দন এবং প্রবল মানসিক চাপের উল্লেখ রয়েছে। সাম্প্রতিক রিপোর্টে তাঁর রক্তচাপ ছিল ১৪০/৮০ এবং পালস রেট ৫৪ বিট প্রতি মিনিট। ফেব্রুয়ারিতে রক্তচাপ ছিল ১২০/৮০। তবে ইমরানের সর্বশেষ মেডিক্যাল রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসেনি।
তবে প্রাক্তন পাক প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি সেটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করে পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন। সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের পরে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ও বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তন ক্রিকেটারের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগে অনুরাগীরা।
এদিকে দলের প্রধানের মুক্তির দাবিতে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর বিরাট মিছিলের ডাক দিয়েছে পিটিআই। সুপ্রিম কোর্টের সামনে থেকে শুরু হয়ে মিছিল এগোবে আদিয়ালা জেলের দিকে। তার আগে পাকিস্তানজুড়ে লং মার্চের পরিকল্পনাও রয়েছে। ইমরানের দলের হুঁশিয়ারি, অন্তত ২০ লক্ষ মানুষের জমায়েত হতে পারে এই কর্মসূচিতে। কিন্তু এবার ইমরানকে জেল থেকে সরিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেই কর্মসূচির কী পরিবর্তন হয়, সেদিকে চোখ থাকবে ওয়াকিবহাল মহলের।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













