এবার থেকে সরকারি অনুমতি ছাড়া পাকিস্তানের বিশেষ বিশেষ অঞ্চলে খবর করতে পারবে না বিদেশ সংবাদমাধ্যম। নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দিল শাহবাজ শরিফ সরকার। এই নির্দেশিকা লাগু হবে ওয়েব-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ও সোশাল মিডিয়া-সহ সকল আন্তর্জাতিক প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল গণমাধ্যমের উপরেই। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পাকিস্তান সরকারের যে অত্যাচার তা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম তুলে ধরায় মুখ পুড়েছে শরিফের। তার জেরেই কড়া সিদ্ধান্ত নিল পাকিস্তান।
নয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এবার থেকে বিদেশি গণমাধ্যম সংস্থা এবং তাদের কর্মীদের নিবন্ধন করবে প্রশাসন। সরকারের অনুমতির পরেই ওই সংস্থা বা গণমাধ্যমকর্মী খবর করতে পারবেন। এছাড়াও সংবাদকর্মী কোথায় কোথায় যাচ্ছেন, কার কার সঙ্গে কথা বলেছেন, সম্পূর্ণ গতিবিধির উপর নজর রাখবে পাক তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। এই নির্দেশিকা লাগু হবে সংবাদ, তথ্যচিত্র, সিনেমা, ভিডিও এবং সোশাল মিডিয়া কনটেন্টের ক্ষেত্রেও।
তবে ইসলামাবাদ, লাহোর ও করাচির-এই শহরগুলির ক্ষেত্রে এনওসি গ্রহণের বাধ্যবাধকতা নেই। তবে অ্যাবোটাবাদ ও মুরিতে যেতে হলে সাংবাদিকরা আবেদনের ভিত্তিতে ইপি উইং থেকে এনওসি সংগ্রহ করতে পারবেন। তিন কর্মদিবসের মধ্যে অনুমোদন পাওয়া যাবে।
এক বছরেরও বেশি সময় ধরে উত্তপ্ত পিওকে। নিজেদের অধিকারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে অধিকৃত কাশ্মীরের নাগরিক সমাজ। অর্থনৈতিক সঙ্কট, সাধারণ নাগরিকদের প্রতি বঞ্চনা, একের পর এক বিধিনিষেধ চাপানোর জেরে পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ জমছিল। তার উপরে স্থানীয় প্রশাসনের ব্যর্থতা এই বিক্ষোভকে আরও বাড়িয়ে তোলে। এরই মধ্যে ভোট শুরু হয় অধিকৃত কাশ্মীরে। তাতেও অশান্তি অব্যাহত। গতকালই হলুদ সাংবাদিকতার অভিযোগ এনে আল জাজিরাকে নিষিদ্ধ করেছে শাহবাজ শরিফ সরকার।
















