বেশ কিছুদিন ধরে জল্পনা চলছিল। অবশেষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি (President) পদে ইস্তফা দিলেন মহম্মদ শাহবুদ্দিন। বঙ্গভবন সূত্রে খবর, ইস্তফা পত্রে সই করে সেটি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পৌঁছে দেন শাহবুদ্দিন (Md Shahabuddin)। সেটি গৃহীত হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকারই রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে বাংলাদেশের (Bangladesh) রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন শাহবুদ্দিন। ২০২৪ সালের অগাস্টে গণঅভ্যুত্থানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন। তার কয়েক দিন পরেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। সেই সময়ও রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন শাহবুদ্দিনই।

শুক্রবার বিকেলে সংবাদ মাধ্যমকে মহম্মদ শাহবুদ্দিন জানান, “এটা তো সর্বজনবিদিত, আমার মুখ থেকে শুনে কী লাভ? আমি অসুস্থ, তাই আমি ছাড়লাম।” তাঁর পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার পরেই সাংবাদিক সম্মেলন ডেকেছেন স্পিকার (Speaker) হাফিজ উদ্দিন। তিনি নিজেও চিকিৎসার জন্য ব্যাঙ্ককে ছিলেন। দুদিন আগেই বাংলাদেশে ফিরেছেন। এদিন দুপুরে ঢাকায় পৌঁছন স্পিকার।

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে, নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকারই সেই দায়িত্ব পালন করেন। এবার কার হাতে দায়িত্ব- সেটা সাংবাদিক বৈঠকেই ঘোষণা করতে পারেন স্পিকার।