আইএফএ শিল্ডের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পাঞ্জাব এফসি ১-০ গোলে ইস্টবেঙ্গলকে হারাল। । চলতি IFA শিল্ডে এটাই প্রথম হার লাল হলুদের। পাঞ্জাবের হয়ে এই ম্যাচে একমাত্র গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান তারকা দিয়েগো অলিভিয়েরা রাপোসো।। যদিও উভয় দলই আগেই সেমিফাইনালে পৌঁছে গিয়েছিলো, তবে এই ম্যাচ জিতে গ্রুপ সেরা হলো পাঞ্জাব এফসি এবং ইস্টবেঙ্গলকে গ্রুপ রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো।
ম্যাচ শুরুর আগে ১৯৭৫ এর ৩০ শে সেপ্টেম্বর আই এফ এ শিল্ড ফাইনালে মোহনবাগানকে ৫ গোল দেওয়ার স্মৃতি রোমন্থন করা হল ইস্টবেঙ্গল মাঠে।উপস্থিত শ্যাম থাপা,রঞ্জিত মুখোপাধ্যায়, সমরেশ চৌধুরী, তরুণ বসুরা। তবে এই ম্যাচে লাল হলুদ জার্সির ঝাঁঝ চোখে পড়ল না। এসিএলের ম্যাচ থাকলেও পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে বিদেশি ক্রিস ইকনোমিডিস ও দিয়েগো জিভুলিচকে প্রথম দলে রেখেছিলেন হাবাস। বেঞ্চে ছিলেন আরও দুই বিদেশি দানি রামিরেজ ও মহম্মদ রশিদ। বিপিন সিং, পিভি বিষ্ণুরাও ছিলেন। এমন একটা শক্তিশালী স্কোয়াড নিয়ে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণ করতে থাকে ইস্টবেঙ্গল। ৪ মিনিটে সুযোগ পায় লাল হলুদ। পাল্টা আক্রমণে গিয়ে পাঞ্জাবও বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে। মেসি বৌলি , বিশু শর্মারা বল তেকাঠিতে রাখতে পারলে শুরুতেই এগিয়ে যেতে পারত পাঞ্জাব।
তবে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে গোল পেয়ে গেল পাঞ্জাব। ৪১ মিনিটে মেসি বৌলি ডান দিক থেকে ক্রস তুলেছিলেন রাপোসোর উদ্দেশে। দূরপাল্লার শটে গোল করেন রাপোসো। প্রথমার্ধ শেষে ১ গোলে পিছিয়ে থেকে সাজঘরে ফেরে হাবাসের দল। দ্বিতীয়ার্ধে বিষ্ণু, বিপিন, জিকসনদের নামিয়ে দিলেন হাবাস। কিন্ত তার পরেও গোল এল না। বেশ কয়েকটি ভালো সেভ করলেন পাঞ্জাব গোলরক্ষক অর্শদীপ সিং। ইস্টবেঙ্গল ও এফ সি গোয়াকে শুভেচ্ছা এশিয়ান স্তরে লড়াইয়ের জন্য। এরাই ভারতীয় ফুটবলের আয়না ম্যাচ শেষে জানিয়ে গেলেন পাঞ্জাব কোচ পাভলোস।
সেমিফাইনালে উঠেছে মোহনবাগান, নর্থইস্ট ইউনাইটেড, পাঞ্জাব এফসি এবং ইস্টবেঙ্গল। লটারির মাধ্যমে সেমিফাইনালের সূচি হবে। ফলে সেমিতেই ডার্বি হতে পারে। এদিকে শিল্ডের সেমিফাইনাল, ফাইনাল কবে কোথায় হবে তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে কারণ মহিলাদের ভারত বনাম রাশিয়া ম্যাচ যুবভারতীতে স্থানান্তরিত হয়েছে । ৮, ১১ই অক্টোবর দুটি ম্যাচ রয়েছে। ক্রীড়া মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ জানিয়েছেন, "চেষ্টা করা হচ্ছে ৭ই অক্টোবর যুবভারতীতে শিল্ড ফাইনাল করার।"
















