আইএফএ শিল্ডের সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গল ৭-২ গোলে হারালো নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডকে। শিল্ডের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল মুখোমুখি হবে মোহনবাগানের। ফলে ডুরান্ডের পর চলতি মরশুমে শিল্ড ফাইনালেও ডার্বি। আগামী ৮ অক্টোবর যুবভারতীতে হবে শিল্ড ফাইনাল।
যাদবপুরের কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে, দ্বিতীয় সেমিফাইনালে, শুরুতে পিছিয়ে পড়েও নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি-কে ৭-২ গোলে চূর্ণ করলো লাল হলুদ শিবির। লাল হলুদের হয়ে হ্যাটট্রিক করলেন ডেভিড লাললানসাঙ্গা এবং একটি করে গোল করলেন রোহিত কুমার, ক্রিস ইকোনোমিডিস, আকে লোবা ও লুকাজ জুওলিনস্কি। ইস্টবেঙ্গল জার্সিতে নেমেই গোল করলেন একে লোবা ও লুকাসনর্থ ইস্টের পক্ষে জোড়া গোল করেন আলাইদ্দিন আজারাই।
পিছিয়ে থাকা ইস্টবেঙ্গল খোঁচা খাওয়া বাঘ। নর্থইস্টের বিরুদ্ধে হাবাসের দল সেটাই প্রমাণ করল। প্রথমে আলাদিন আজারাইয়ের গোলে নর্থইস্ট এগিয়ে গেলেও ডেভিড লালহানসাঙ্গা গোল শোধ করেন। আরও দুটি গোল করেন রোহিত কুমার ও ক্রিস ইকোনমিডিস।প্রথমার্ধের শেষে ৩-১ গোলে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে থেকেই গোলের বন্যা । ৫৫ মিনিটে বিষ্ণুর পাস থেকে হ্যাটট্রিক ডেভিড।ম্যাচ পকেটে ভরে বেশ কয়েকটি বদল আনেন হাবাস। জিভুলিচকে তুলে নেন, নামান নতুন দুই বিদেশি লোবা ও লুকাসকে। আর মাঠে নেমেই নিজেদের উপস্থিতি জানান দিলেন তাঁরা। রশিদের সেন্টার থেকে লোবার গোল। লোবার বল পায়ে স্কিল মুগ্ধ করল দর্শকদের। তারপর লুকাসের পা থেকে এল সপ্তম গোল। প্রথমটার ফল ভুগতে হল ৮৩ মিনিটে। আজারেই এক গোলের ব্যবধান কমান। আর দ্বিতীয়টার এল ৮৫ ও ৯১ মিনিটে। রশিদের ক্রস থেকে ফিনিশ করলেন লোবা।
অবশ্য প্রশংসা করতে হয় ফের ক্রিসের অ্যাসিস্টের। যেভাবে তিনি ঠিকানা লেখা ক্রস পাঠাচ্ছেন, তাতে সেগুলোর গোলের ঠিকানা লেখা। মিগুয়েলের অভাব পূরণ করে দিতে পারেন ক্রিস।
গতকাল একই মাঠে, প্রথম সেমিফাইনালে পাঞ্জাব এফসি-কে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিলো মোহন বাগান। আজ ইস্টবেঙ্গলের জয়ের ফলে গতবারের মতো এবারেও আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে ডার্বি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। যদিও ডার্বি খুব সহজ হবে না লাল হলুদের জন্য, এমনটাই ম্যাচ শেষে জানালেন বিজয়ন।















