রঞ্জি ট্রফির প্রথম ম্যাচে দাপুটে শুরু বাংলার বোলারদের। প্রথম দিনের শেষে দিল্লিকে ২৪০ রানে অল আউট করল বাংলা। মহম্মদ শামি (Mohammed Shami ) নেন ৪টি উইকেট। ৩টি উইকেট নেন আমির গণি।

জাতীয় দলে তিনি উপেক্ষিত থাকলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে অবশ্য নিজের জাত চিনিয়ে চলেছেন মহম্মদ শামি (Mohammed Shami )। রবিবার কল্যাণীতে বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির মাঠে দিল্লির বিরুদ্ধে আগুনে  বোলিং করলেন। 

মহম্মদ শামি রঞ্জি ট্রফির নতুন মরশুম শুরু করেছেন দিল্লীর বিরুদ্ধে ৪/৩০ বোলিং ফিগার নিয়ে। শামিকে ২০২৫ এর পর থেকে জাতীয় দলে ভাবা হয়না। বাংলার হয়ে যাবতীয় বঞ্চনার জবাব দিচ্ছেন।

প্রথম মরশুমে শামি হাল্কা লিম্প নিয়ে রান-আপ নিচ্ছিলেন, তারপরে ফিটনেসে কাজ করে পরের সিজনে আরো ভালো করেন। আর এই মরশুমে এখনো পর্যন্ত দলীপ ট্রফি ভালো খেলেছেন, রঞ্জি ট্রফির সূচনা করেছেন দারুণভাবে। 

বয়স, বারংবার চোটে কাহিল হয়ে পড়া- সব কিছু অতিক্রম করে ম্যাচের পর ম্যাচ খেলে গিয়েছেন ঘরোয়া পর্যায়ে। ভুবনেশ্বর কুমারের যদি কামব্যাকের পর কি এবার শামির পালা!

 

 যদিও দিনের শেষে কল্যাণীর পিচ নিয়ে অসন্তুষ্ট শামি। তাঁর কথায়, “আমাদের দলের মতো পেস অ্যাটাক অন্য দলে নেই। কিন্তু কল্যাণীর পিচে আমরা তার সুবিধা পাই না। তাহলে হোম অ্যাডভান্টেজের মানে কী? আমি এর আগে বহুবার এই নিয়ে বলেছি। কিন্তু কোনও সুরাহা হয়নি। তাই এখন বলা ছেড়ে দিয়েছি।” 

 যদিও সিএবি-র প্রধান কিউরেটর সুজন মুখোপাধ্যায় এর পরিপ্রেক্ষিতে বলেছেন, 'আমার তো মনে হয়েছে ভাল উইকেটে খেলা হয়েছে। বাংলার উইকেটকিপার অভিষেক পোড়েল বুকের উচ্চতায় বল ধরছিল। শামি কি বলতে চাইছে দিল্লির প্রথম ইনিংস লাঞ্চের মধ্যে শেষ হয়ে যাওয়া উচিত ছিল?” 

সব মিলিয়ে শুরুটা ভালো করেও বিতর্ক পিছু ছাড়ল না বঙ্গ ক্রিকেটকে।