আইএফএ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান। ইস্টবেঙ্গলকে ১-০ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন সবুজ মেরুন।

 

ইস্টবেঙ্গল দল নামায় ৪-২-৩-১ ছকে। অন্যদিকে, সবুজ মেরুন কোচ ৪-৩-২-১ স্ট্রাটেজি নেন। জাতীয় দলে খেলা সাহাল ও অভিষেককে প্রথম একাদশে রাখেন প্যানোস। হাবাস প্রথম একাদশে রাখেননি আনোয়ারকে। জাতীয় দলে ফেরত এডমুন্ড জয় গুপ্তকে শুরু থেকে খেলালেন স্প্যানিশ বস । শুরু থেকেই বাগান বক্সে চাপ তৈরি করেন এডমুন্ড রশিদরা। ৬ মিনিটে বক্সের মধ্যে বল নিয়ে ঢুকেও ফিনিশ করতে পারলেন না। এরপরই বিপিন রামিরেজরা বার চাপে ফেললেন বাগান ডিফেন্সকে। চাপ কাটিয়ে পাল্টা খেলায় ফিরল মোহনবাগান। ৮ মিনিটে লি বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট রুখে দিলেন ফুরবা। ১৯ মিনিটে বল নিয়ে গতিতে ঢুকলেও ফিনিশ করতে পারলেন না ছাঙতে । এরপরের মিনিটে অবাঞ্ছিত হলুদ কার্ড দেখলেন দেখলেন বাগান মিডিও। ২৩ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সহজ সুযোগ নষ্ট করলেন মেহতাব সিং ।ছা তে পাস থেকে ওপেন হেড মিস করলেন পাঞ্জাব তনয় । আক্রমণই রক্ষনের সেরা কৌশল এই মন্ত্র নিয়ে পাল্টা ঝাঁপাল বাগান। সাহাল, দ্রাজিজরা সুযোগ তৈরি করলেও গোল আসছিল না। ছাঙতে , সাহালের শট সেভ করে দুর্গ রক্ষা করলেন ফুরবা। ৪৪ মিনিটে গঙ্গাপারের দলকে এগিয়ে দিলেন জেলকোভিচ। সাহালের পাস থেকে বক্সে ফটো ফিনিস করলেন জেলকোভিচ। প্রথম ৪৫ মিনিট শেষে ১ গোলে এগিয়ে সাজঘরে ফিরল প্যানোসের দল।

 

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই জয় গুপ্তর বদলে লুকাসকে নামান হাবাস। প্রথমার্ধ যেখানে শেষ করেছিল দ্বিতীয় পর্বে সেখান থেকেই শুরু করল বাগান। সন্দীপ মাণ্ডির সঙ্গে সংঘর্ষে মাথা ফাটল দ্রাজিজের। রক্তাক্ত হয়েও ম্যাচের বাকিরা সময় খেলে গেলেন । ছানতে দ্রাজিজরা সুযোগ তৈরর প্রয়াস বজায় রাখলেন। এরপর দুই কোচই একাধিক বদল করেন ।হাবাস নামান বিষ্ণু,লোবাকে। এরপর এডমুন্ডকে তুলে ক্রিসকে নামালেন। প্যানোস ও নামালেন মনবীর, থাপা, লিস্টনদের। মাঝমাঠ ব্লক করার পাশাপাশি ডিফেন্সকে জমাট করার চেষ্টা করেন বাগান কোচ। ম্যাচের শেষ দিকে চাপ তৈরি হলো বাগানের রক্ষনে কিন্তু যাবতীয় আক্রমন রুখে শিল্ড ধরে রাখল বাগান ।সেই সঙ্গে ডুরান্ড হারের বদলাও নিয়ে নিল প্যানোসের দল।