ডুরান্ড কাপের ফাইনালে  ডার্বি জিতেছিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস( EBFC Head Coach Antonio Lopez Habas )। সমর্থকদের নয়নের মণি হয়ে উঠেছিলেন কিন্ত আইএফএ শিল্ড ফাইনালে হারের পরই মেজাজ হারালেন লাল হলুদের হেডস্যার। বৃহস্পতিবার ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে আসেননি। তবে ডার্বি হারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গর্জে উঠলেন হাবাস। তবে সাংবাদ মাধ্যমের সামনে নয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। রীতিমতো বিস্ফোরণ ঘটালেন।

 

সোশ্যাল মিডিয়ায় হাবাস লিখছেন, “আমি একজন সিরিয়াস ও পেশাদার কোচ। বিশ্বের যেকোনও কোচের মতো আমিও ম্যাচ জিতি এবং ম্যাচ হারি। কিন্তু আমি কখনই সার্কাসের জন্তু মতো আচরণ মেনে নেব না। আর দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই পুরো টুর্নামেন্ট আমাকে ঠিক সেই অনুভূতিটাই দিয়েছে।“

 এখানে থেমে না থেকে হাবাস আরও লেখেন, “সূচি বানানো, মাঠের পরিস্থিতি, রেফারিং থেকে প্রতিপক্ষ নির্বাচন, সব জায়গায় একই অবস্থা। এটাকে কোনও ভাবেই পেশাদার প্রতিযোগিতা বলা যায় না। পেশাদারদের সঙ্গে অসম্মানজনক আচরণ করা হয়েছে। আমি এই ব্যাপারে কোনও ভাবে আপস করতে রাজি নই।”

 

 ইস্টবেঙ্গলের অন্দরের খবর, এএফসি-র কথা মাথায় রেখেই শিল্ড ফাইনালে অতিরিক্ত সাবধানী ছিলেন হাবাস। ফাইনাল এবং ডার্বি দু’টো বিষয় এক হওয়ায় ম্যাচটা হাইভোল্টেজ হলেও বাড়তি শক্তি খরচ করতে চাননি। যদিও গোটা ম্যাচে যথেষ্টই তৎপর ছিলেন হাবাস। বিরতিতে রেফারির সঙ্গে তর্কও জুড়ে দেন।

 

আগামী মঙ্গলবার এসিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ আছে লাল হলুদের। তার আগে ডার্বিতে রক্ষণের স্তম্ভ আনোয়ারকে খেলাননি হাবাস। তার ফলও ভুগতে হয়েছে। যদিও শিল্ড হারলেও ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার জানিয়ে দিয়েছেন, "হাবাসের উপরে আমাদের আস্থা আছে।"