চাপের পাহাড়ে থেকেই আইএফএ শিল্ড ফাইনালের ডার্বি খেলতে নেমেছিল মোহনবাগান। কঠিন ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে শিল্ড ধরে রাখল সবুজ মিলন ব্রিগেড। শারদীয়ার এক সপ্তাহ আগেই যেন পুজোর আনন্দ শুরু হয়ে গেল সবুজ মেরুন সমর্থকদের কাছে। একদিকে ডুরান্ড হারের বদলা অন্যদিকে শিল্ড ধরে রাখা,বাঁধনছাড়া উল্লাসে মোহনবাগান শিবির। ডার্বি জিতেই ইস্টবেঙ্গলকে তীব্র কটাক্ষ মোহনবাগান সভাপতি দেবাশিস দত্তের।। পাশাপাশি যাবতীয় সমালোচনার জবাব দিলেন কোচ প্যানোস।
ফেভারিট’ ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে শিল্ড জিতে বাগান কোচের সাফ কথা, “প্রমাণ করার কিছু ছিল না আমার।কে কী বলল, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। আমি জানি কী চেষ্টা করছিলাম। আজ আমরা ভালো খেলেছি। আরও গোল করতে পারতাম। পুরো ম্যাচেই বলের দখল আমাদের ছিল। "
বিগত কয়েকদিন ধরেই তাকে নিয়ে সমালোচনা হচ্ছিল করে আবাসের বিরুদ্ধে তিনি কতটা পেরে উঠবেন সেটা নিয়েও আলোচনা হচ্ছিল। কিন্তু গ্রীক কোচ যাবতীয় সমালোচনা জবাব দিলেন আইএসএল শুরুর আগেই
তার কথায়, "আমি সফল হলে ভালো। না হলে ফলাফলই ঠিক করবে আমি এখানে থেকে এই ঐতিহাসিক ক্লাবের হয়ে কাজ করার সুযোগ পাব কি না। কে কী বলছে, সেটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়।"
নিখুঁত রননীতিতেই আটকে দিয়েছেন প্রতিপক্ষ দলকে । গোলের সংখ্যা আরও বাড়তে পারতো।কিন্তু তা নিয়ে আক্ষেপ নেই প্যানোসের। ছোট্ট প্রতিক্রিয়ায় বললেন সবকিছুই রণনীতি খেলার অঙ্গ।
দুয়ারে আইএসকে। তার আগে দ্রুত ফিট করার চেষ্টা করা হচ্ছে দলের আক্রমণের সেরা অস্ত্র ম্যাকলারেনকে।
শিল্ড ধরে রেখে ইস্ট বেঙ্গলকে তীব্র কটাক্ষ করলেন সভাপতি দেবাশিস দত্ত বলেন ," আমরা পাঁচ গোলে হেরেছি। বিগত কয়েকদিন ধরেই আলোচনা হচ্ছিল এই ম্যাচে ১৯৭৫ সালের মতো মোহনবাগান পাঁচ গোলে হারবে। ময়দানের এক শীর্ষ কর্তা বলেন মাস্তানি করে খেলতে হয়, আজ সেটাই করে দেখালো আমাদের দল। কোচকে নিয়ে অনেক কথা হচ্ছিল ।তার রণকৌশল সব কিছু জবাব দিয়ে গেল। এখন ময়দান বন্ধ ।পুজোর পরে মোহনবাগান মাঠে ট্রফি আসবে।" ২৪ অক্টোবর শিল্ড জয়ের সেলিব্রেশন হতে পারে মোহনবাগান ক্লাবে।
অন্যদিকে, সাংবাদিক সম্মেলনই করলেন না ইস্টবেঙ্গল কোচ হাবাস। যদিও ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার জানিয়ে গেলেন, "হাবাসের উপরে আমাদের আস্থা আছে।"















