ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে আড়াইশো রানের লক্ষ্যমাত্রা দিয়েও দিনের শেষে ম্যাচ হারলো টিম ইন্ডিয়া। সৌজন্যে ভারতীয় বোলারদের হতশ্রী বোলিং। সাফাই দিতে গিয়ে পিচের উপর দোষ চাপালেন কোচ গৌতম গম্ভীর। যেভাবে দুই ইনিংসে ৫০০ রান উঠলো, তাতে ক্ষুব্ধ ভারতীয় কোচ অভিযোগ করছেন যে ইচ্ছাকৃতভাবে পাটা পিচ তৈরি করে বোলারদের ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে!
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ২৪৯ রান কম নয়। প্রথমে ব্যাট করে ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে নিজেদের সংগৃহীত রান নিয়ে সন্তুষ্ট ছিল টিম ইন্ডিয়া। কারণ একশো কুড়ি বলে ২৫০ রান করা মুখের কথা নয়। কিন্তু সেই ম্যাচও ৯ বল বাকি থাকতে জিতে গেলেন হোপ-রাদারফোর্ডরা। দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক শ্রেয়স আইআর দোষ দিচ্ছেন রাতের ম্যাচের অতিরিক্ত শিশিরকে।ওয়েস্ট ইন্ডিজের আগ্রাসী ব্যাটিংকে কৃতিত্ব দেওয়ার পাশাপাশি হারের কারণ হিসেবে কোনও সতীর্থের ঘাড়ে দায় চাপাতে চাননি ক্যাপ্টেন। কিন্তু তাই বলে ভারতীয় বোলারদের ব্যর্থতা কি এড়িয়ে যাওয়া যায়? ক্রিকেট সমালোচক থেকে প্রাক্তন ক্রিকেটাররা যতই বোলারদের পারফরমেন্সে অসন্তুষ্ট হোন না কেন কোচ গম্ভীর আবার এক ধাপ এগিয়ে পিচ নিয়ে ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব তৈরি করেছেন।
শুক্রবার টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দুই দল মিলিয়ে ৫০০ রান হয়েছে। গৌতমের দাবি, বোলারদের ক্রিকেট ক্যারিয়ার নষ্ট করতে এই ধরনের পিচ বানানো হচ্ছে যেখানে সবটাই ব্যাটার সহায়ক। তিনি বলেন,"ব্যাট-বলে সমানে সমানে লড়াই হলে অনেক ভাল মানের ক্রিকেট আমরা দেখতে পাব। কিন্তু বোলারদের ক্রিকেট ক্যারিয়ার ইচ্ছাকৃতভাবে ঝুঁকির মুখে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। ওরাও কঠোর পরিশ্রম করে এই সাজঘরে ঢোকার ছাড়পত্র পেয়েছে।’’অর্থাৎ গম্ভীরের কথা থেকে এটা পরিষ্কার যে একপেশে পিচ নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করলেও বোলারদের খারাপ খেলা নিয়ে একটা শব্দও উচ্চারণ করেননি। মায়াঙ্ক ৩ ওভারে ৩৬ রান দিলেও তাঁর প্রশংসা করেছেন গম্ভীর। গত ম্যাচেও বল নিয়ন্ত্রণে ছিল না ভারতীয় পেসারের। ৩.৩ ওভারে ৬৩ রান দিয়েছেন অভিজ্ঞ বোলার অক্ষর প্যাটেল, দুবার বল করে ৩০ রান দিয়েছেন দুবে। এরপরেও বোলারদের খামতি চোখে পড়ছে না কোচের। ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে খেলতেই যদি এই অবস্থা হয় তাহলে আসন্ন নিউজিল্যান্ড সিরিজে ভারতীয় বোলারদের সৌজন্যে টিম ইন্ডিয়ার কপালে যে কত দুর্গতি আছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।।















