মহালয়ার সকালে পুলিশে নিয়োগ থেকে জরুরি পরিষেবা, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার একগুচ্ছ পদক্ষেপের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুজোর আগেই ১১ হাজারের বেশি কনস্টেবল নিয়োগের পাশাপাশি মহালয়া থেকে রাজ্যে চালু হচ্ছে ১১২ জরুরি পরিষেবা। আগামী শুক্রবার নবনিযুক্ত কনস্টেবলদের হাতে নিজে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: দেবের ৭২ ঘন্টার আলটিমেটাম! মঞ্চে স্বরূপের ‘ব্যান কালচার’কে খোঁচা খোদ অনির্বাণের
জরুরি পরিস্থিতিতে পুলিশের কাছে পৌঁছনোর জন্য সাধারণ মানুষকে আর দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে না হয়, সেই লক্ষ্যেই ২৪ ঘণ্টার পরিষেবা চালুর উদ্যোগ। তিনি জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর গত পাঁচ মাসে রাজ্যের পুলিশি ব্যবস্থার বিভিন্ন স্তর পর্যালোচনা করেছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরিষেবার গতি ও কার্যকারিতা বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যজুড়ে লাইভ ট্রাফিক ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগও তারই অংশ।
এছাড়াও বাহিনীর দৈনন্দিন কাজকর্মে গতি আনতে ৪৫০টি গাড়ি যুক্ত হয়েছে পুলিশের বহরে। থানা পিছু একটি করে গাড়ি ও মোটরবাইক বরাদ্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি নিয়োগ করা হয়েছে ১,৫০০ জন চালক। পুলিশকর্মীদের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ এবং বিভিন্ন কন্ট্রোল রুমের কাজকর্ম উন্নত করার বিষয়েও পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন শুভেন্দু।
আরও পড়ুন: কোথায় নিয়ে যাওয়া হল অভিজিত-সৌরভদের, মুখে কুলুপ প্রশাসনের
নিয়োগের ক্ষেত্রে ওবিসি সংক্রান্ত আইনি জটিলতা কাটানোর প্রসঙ্গও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বিধানসভায় আইন সংশোধনের পর নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়েছে এবং নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে পুলিশ নিয়োগ বোর্ড। পুজোর আগেই ১১ হাজারের বেশি কনস্টেবল কাজে যোগ দেওয়ার সুযোগ পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
অন্যদিকে, পুলিশকর্মীদের নিরাপত্তার প্রশ্নে আপসহীন অবস্থানের কথা জানিয়ে শুভেন্দুর বার্তা, কর্তব্যরত পুলিশের উপর হামলা বরদাস্ত করা হবে না। পার্ক স্ট্রিটের ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুলিশের গায়ে হাত তুললে পরিণতি ভালো হবে না। পুলিশকে পর্যাপ্ত কর্মী ও প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো দিয়ে আরও কার্যকর করে তোলাই তাঁর প্রশাসনিক উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।















