নদীয়ায় কংগ্রেস নেতা ও তাঁর পুত্রকে গুলি করে খুনের ঘটনায় গ্রেফতার তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান। শনিবার নদীয়ায় কংগ্রেস নেতা আনিসুর রহমান ও তাঁর পুত্র আবু সুফিয়ানকে গুলি করে খুন করা হয়, ঘটনার অভিযোগের তির স্থানীয় তৃণমূলের দিকেই।
আনিসুরদের হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার নদীয়ার হরনগর পঞ্চায়েতের প্রধান ফতেমা বিবি। তাঁর স্বামী এলাকার প্রভাবশীল তৃণমূল নেতা জুব্বার শেখ এখন জেলবন্দি। জেল থেকেই এই হত্যাকাণ্ডে ষড়যন্ত্র করেছেন বলে অভিযোগ। এ ছাড়া গ্রেফতার করা হয়েছে ফতেমার দুই সহযোগী সাহেব আলি মণ্ডল এবং মিঠুন শেখকে।
নাকাশিপাড়ায় কংগ্রেস নেতা ও তাঁর ছেলেকে খুন করা ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। আনিসুর রহমান প্রদেশ কংগ্রেসের নেতা ও তাঁর ছেলে আবু সুফিয়ান রহমান ছিলেন আইনজীবী। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে যে, বেথুয়াডহরী থেকে বাড়ি ফেরার পথে এই হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা।
রবিবার সকালে দেহদুটি কৃষ্ণনগরের শক্তিনগর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য আনা হয়েছে। পরিবারের দাবি, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের স্বার্থে ফরেনসিক পরীক্ষা ও ময়নাতদন্ত একই হাসপাতালে করা হোক।
এই ঘটনার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, নদীয়ার কংগ্রেস নেতা আনিসুর রহমান এবং তাঁর ছেলে আবু সুফিয়ান কে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে আজ; আমরা এই নৃশংস হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা করি। এই রাজ্যে সংখ্যালঘু এবং বিরোধীদের কন্ঠরোধ করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের লড়াই চলবেই। এই নৃশংস হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে সারা রাজ্য জুড়ে কংগ্রেস কালা দিবস পালন করবে।
















