তোলা তোলা বা দখলের খবরের কোনও দলীয় কর্মী-নেতার বিরুদ্ধে এলেই নেওয়া হবে ব্যবস্থা। কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না। এসব নিয়ে হঠাৎ করে সরব হয়েছে লুটেরা বিজেপি। খোদ রাজ্য সভাপতিও তোলাবাজি বন্ধ নিয়ে আসরে নেমেছেন। কিন্তু তারপরও একের পর এক ঘটনার খবর আসছে। শুধু তাই নয়, এই ঘটনায় দল ২২ জনকে সাসপেন্ড করার পরও থামেনি। তিনমাসের সরকারের তোলার গ্রাফ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। এরই মধ্যে শিলিগুড়ি থেকে আরও এক খবর এল। যা পদ্মশিবিরকে বেজায় অস্বস্তিতে ফেলেছে। যদিও অভিযোগ পাওয়ার পরও নেওয়া হয়নি ব্যবস্থা।
অভিযোগ, বিজেপি নেতা নান্টু পালের বিরুদ্ধে এক বৃদ্ধ দম্পতির জমি দখল। যদিও বিজেপি নেতা নান্টু পালের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছে, কখনও অবৈধ নির্মাণ ঘিরে, কখনও রাস্তার পাশে হকারদের থেকে নিয়ম করে টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে, এবার জমি দখলের অভিযোগ তুলে মন্ত্রী তথা শিলিগুড়ির বিধায়কের দ্বারস্থ হলেন শহরের বৃদ্ধ দম্পতি।
জানা গিয়েছে, শহর শিলিগুড়ির ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের দেশবন্ধুপাড়া এলাকার বাসিন্দা দীপান্বিতা পাল মন্ত্রীর কাছে তাঁর জমি জবরদখলের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। দীপান্বিতা পালের অভিযোগ, হিলকার্ট রোড সংলগ্ন রজনীবাগান এলাকায় তাদের একটি জমি রয়েছে। সেই জমির মোট সাতজন ওয়ারিশ রয়েছেন। তাঁর দাবি, ১৯৯৯ সালে নান্টু পালের মায়ের সঙ্গে ওই জমি বিক্রির বিষয়ে একটি চুক্তিপত্র হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে সেই জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়নি। দীর্ঘদিন পর ওই জমিকে কেন্দ্র করে ফের সমস্যা তৈরি হয়েছে, সম্প্রতি নান্টু পাল তাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন। জমিতে তালাও ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ, তাদের দাবি, এত দিন ধরে বিধায়কের দলের নেতার কার্যকলাপ তাঁকে জানানো হলেও তিনি কোনও পদক্ষেপ নেননি, অবশেষে সংবাদ মাধ্যমের সামনে এসে দম্পতি মন্ত্রীকে ফের লিখিত অভিযোগ করেন। তাঁর বক্তব্য, ১৯৯৯ সালে ওই চুক্তিপত্রে জমি বিক্রির বিষয়টি কীভাবে হয়েছিল, সে সম্পর্কে বর্তমান ওয়ারিশদের অনেকেই জানেন না। বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে তাকে পাল্টা প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় বলে অভিযোগ।
















