‘বেইমান আর চোরটা, নয়না দিদির বরটা’। ‘প্রচারে: তাপস রায়, কুণাল ঘোষ’, এই পোস্টারে ছয়লাপ উত্তর কলকাতা। মঙ্গলবার সকাল থেকে তালতলা বাস স্টপ, এজেসি বোস কলেজ, বঙ্গবাসী কলেজ, ক্রিক রো সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় এই পোস্টার দেখা যায়। পোস্টারে উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি রয়েছে। লেখা, ‘বেইমান আর চোরটা, নয়না দিদির বরটা’। পোস্টারের তলায় লেখা, ‘প্রচারে: তাপস রায়, কুণাল ঘোষ।’ কিন্তু এই পোস্টারকাণ্ডের সাথে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ যে একেবারেই জড়িত নন সেই কথা ভিডিয়ো বার্তায় স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন তিনি। বলেন, ''বক্তব্যের সাথে ১০০ শতাংশ সহমত কিন্তু তার জন্য আমাকে পোস্টার বানিয়ে বলতে হবে না। আমি প্রকাশ্যেই সেই কথা বলি। তাপস রায় যুক্ত থাকতেই পারেন। আবার নাও থাকতে পারেন। তিনি এখন অন্য দলের। আমি তাঁর সাথে মিলে কিছু করতে যাবো কেন? আমি নই, এটুকুই জানানোর বিষয়। অভিযোগের সাথে দ্বিমত পোষণ করছি না একেবারেই, শুধু আমি কেন সারা কলকাতা সেটা জানে। তবে এই কাজের সাথে আমার কোন যোগ নেই।''
উত্তর কলকাতাজুড়ে সুদীপ-বিরোধী পোস্টার! বক্তব্যে সহমত হলেও পোস্টারের সঙ্গে যোগ নেই, দাবি কুণালের
Sponsored

আরও পড়ুন: NDA বৈঠকে NCPI, মোদি-শাহদের সঙ্গে এক সারিতে কাকলি
এদিকে আশ্চর্যজনকভাবে তাপস রায়ও পোস্টারের কথা অস্বীকার করেছেন। তবে তিনি জানিয়েছেন স্বামী-স্ত্রী (সুদীপ-নয়না) দুজনের উপরই সাধারণ মানুষ রীতিমত ক্ষুব্ধ। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরেই তৃণমূল কংগ্রেসের সাথে দূরত্ব বাড়িয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি-সহ ২০ জন 'বিদ্রোহী' সাংসদ এনডিএ-র শরিক দল এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার অনুমোদনে NCPI-এর দলনেতা হয়েছেন সুদীপ। মঙ্গলবার এনডিএ-র সঙ্গে বৈঠক হওয়ার পর সুদীপ-কাকলিরা বিজেপিতে যুক্ত হয়ে যাচ্ছেন এমনটাই খবর। কিন্তু সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় দলবদল করলেও তাঁর স্ত্রী বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন তিনি এখনও তৃণমূলেই আছেন। তবে আজকের এই পোস্টারকাণ্ড ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা বলা বাহুল্য। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের যদিও এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













