বাংলায় এখন বিজেপি সরকার (BJP Government), তাই গত ৫০ বছরে পিছিয়ে পড়া পশ্চিমবঙ্গকে ডবল ইঞ্জিন গতিতে এগিয়ে নিয়ে রাজ্যের অর্থনীতিকে পুনর্জীবিত করার লক্ষ্যমাত্রার কথা জানালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার কলকাতার মিলনমেলা প্রাঙ্গণে (Milan Mela Complex) আয়োজিত বস্ত্রশিল্প প্রদর্শনীয় সম্মেলনের মঞ্চ থেকে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান বলেন, গুন্ডারাজ সিন্ডিকেট রাজ মুক্ত করে বাংলায় এখন শিল্পবান্ধব পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আগামীতে বিনিয়োগ বাড়বে। আগামী এক থেকে দু বছরের মধ্যে বাংলার ধুঁকতে থাকা অর্থনীতির উল্লেখযোগ্য উন্নয়নের দাবি শুভেন্দুর।
ডবল ইঞ্জিন গতিতে বাংলার অর্থনীতির উন্নয়ন, বস্ত্রশিল্প মেলা থেকে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
আগামী এক থেকে দু বছরের মধ্যে বাংলার ধুঁকতে থাকা অর্থনীতির উল্লেখযোগ্য উন্নয়নের দাবি শুভেন্দুর।
Sponsored

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী ২৪ থেকে ২৮ অগস্টের মধ্যে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman) রাজ্যে আসছেন। বাংলার বস্ত্রশিল্পপতিদের একটি বিশেষ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর সরাসরি বৈঠকের ব্যবস্থা করা হবে। শুভেন্দুর দাবি, রাজ্যে পালাবদলের পর বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই গত তিন মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) থেকে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী সকলেই বাংলার শিল্পায়নে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন। মিলন মেলার অনুষ্ঠান থেকে পূর্বতন সরকারের দুর্নীতিকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বস্ত্রশিল্পে সুরাট থেকে কাঁচামাল আমদানির প্রসঙ্গের কথা তুলে তিনি বলেন, আগের যিনি মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, উনি সুরেটের নাম শুনলেই বলতেন ও তো বাইরের! কিন্তু মনে রাখতে হবে ওটাও আমাদের দেশের মধ্যে পড়ে। সেখানে লাভ হলে সেটা ভারতের জন্যও ভালো। আমদানিকৃত কাঁচামাল দিয়ে এখানকার শান্তিপুর, ফুলিয়া বা পূর্বস্থলীর তাঁতি ও কারিগরেরা যখন পোশাক তৈরি করছেন, তখন ট্রানজিট থেকে শুরু করে সামগ্রিক ভাবেই লাভবান হচ্ছেন বাংলারই আমজনতা।
বিজেপি সরকার যে বাংলার শিল্পের উন্নয়নে কতটা বদ্ধপরিকর তা বোঝাতে গত তিন মাসে একাধিক বিনিয়োগের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। জানান, যেসব শিল্পপতিরা ১০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করতে চাইছেন তাঁরা রাজ্য সরকারের বিশেষ ‘সিঙ্গেল উইন্ডো সিস্টেম’-এর (Single Window System) মাধ্যমেই যাবতীয় ছাড়পত্র পেয়ে যাবেন। শুধু তাই নয়, ক্যাবিনেট বৈঠকের পর আগামী এক মাসের মধ্যে ২৫ জন শিল্পপতিকে জমি হস্তান্তর করা হবে বলেও জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। অর্থাৎ, একদিকে পূর্বতন সরকারের 'অদূরদর্শী শিল্পনীতি'র সমালোচনা আর অন্যদিকে বর্তমান সরকারের উন্নয়নমূলক শিল্পভাবনার কথাই বস্ত্রশিল্প প্রদর্শনী মঞ্চে তুলে ধরেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

More from রাজ্য
View All →
পরিষদীয় বা সংসদীয় দলের সংখ্যা নয়, দলের সিদ্ধান্তই শেষ কথা: সুপ্রিম কোর্ট
14h ago

১৭ অগাস্ট মিলবে অন্নপূর্ণার কিস্তি, বিভ্রান্তিতে কান না দেওয়ার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
14h ago

বিল ছাড়ের 'ঘুষ' ২ লক্ষ টাকা! ACB-র জালে সরকারি কর্মী
14h ago

মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে বাঁচল শিশুদের রূপকথার জগৎ, বন্ধ হচ্ছে না নেহরু চিলড্রেন্স মিউজিয়াম
15h ago

‘বাংলার বাড়ি’ Out, ‘পশ্চিমবঙ্গ আবাস’ In: উপভোক্তাদের রং-ধর্ম দেখব না, আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর
15h ago







