‘কন্যারত্ন’ দিবসের অনুষ্ঠানে বিরাট ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, স্কুলছাত্রীরা আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে বছরে ১০০০ টাকার বদলে ২০০০ টাকা পাবে। পাশাপাশি তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকার ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’ প্রকল্প চালু রাজ্যেও। ফলে কেন্দ্রের যাবতীয় সুবিধা এখন থেকে পাবেন এরাজ্যের পড়ুয়ারাও।
বছরে ১০০০-এর বদলে ২০০০ টাকা: ‘কন্যারত্ন‘ দিবসে বিরাট ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নারী সুরক্ষায় আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। আমাদের বাজেটে নারী কর্মসংস্থান অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। নারী শিক্ষায় মহিলা কলেজ বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা হয়েছে।“
Sponsored

১৪ আগস্ট ‘কন্যারত্ন’ (Kanyaratna) দিবসের কথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন আলিপুরের ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ”এতদিন ‘কন্যাশ্রী’ নামে যে প্রকল্প ছিল, তা আমরা ‘কন্যারত্ন’ নাম দিলাম। আমাদের ছোট ছোট মেয়েরা সকলে রত্ন। আমি চাই, তারা আরও ভালোভাবে পড়াশোনা করে সকলে মাতঙ্গিনী হাজরার মতো ব্যক্তিত্ব হোক। তার জন্য সরকার সবরকম সুবিধা দেবে। স্কুলপডুয়াদের সুবিধায় হেল্পলাইন নং চালু হল। নম্বরটি ১৮১। আজ থেকে কেন্দ্রের ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’ প্রকল্পের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হল বাংলা। এবছর আমরা স্কুলছাত্রীদের জন্য এককালীন ১০০০ টাকা করে দেব। মোট ২০ লক্ষ ১৩ হাজার ছাত্রী (Student) এই অর্থ পাবে। তার জন্য ৪০০ কোটি টাকা আমরা আজই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দিয়ে দিচ্ছি। পরের শিক্ষাবর্ষ, ২০২৭ সাল থেকে এই অর্থ দ্বিগুণ অর্থাৎ বছরে ২০০০টাকা করে দেওয়া হবে। এছাড়া ‘বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ’ যেটা ছিল, এককালীন ২৫ হাজার টাকা, তা পাবে উচ্চশিক্ষারত ছাত্রীরা।”
শুক্রবারই রাজ্য সরকারের তরফে তাদের জন্য বরাদ্দ ৪০০ কোটি টাকা স্কুলগুলির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দিয়ে দেওয়া হবে। এদিন থেকেই হাতে পাবেন ছাত্রীরা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নারী সুরক্ষায় আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। আমাদের বাজেটে নারী কর্মসংস্থান অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। নারী শিক্ষায় মহিলা কলেজ বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। কলেজ ড্রপআউট (Drop-Out) রুখতে আর্থিক সুবিধা-সহ নানা ব্যবস্থা রেখেছি।“
মুখ্যমন্ত্রী জানান, “উচ্চশিক্ষায় ছাত্রীদের ৫০ হাজার টাকা অনুদানের ঘোষণা হয়েছে বাজেটে। কন্যারত্নদের প্রকৃতপক্ষে শিক্ষা, স্বনির্ভর করতে অঙ্গীকারবদ্ধ হলাম। সব রকম বৈষম্য থেকে কন্যাদের রক্ষা করার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলাম। কন্যারত্ন প্রকল্পের টাকা দিচ্ছি, তার সঙ্গে বিবেকানন্দ স্কলারশিপও চালু রাখছি। বিদেশে পড়াশোনা করতে যাওয়া ছাত্রছাত্রীদের জন্য তহবিল করা হয়েছে। জাতীয় স্তরে উচ্চশিক্ষার জন্যও ওই তহবিল থেকে আর্থিক সাহায্য মিলবে। আমরা ১০০০ থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করে ২০২৭ সাল থেকে কন্যারত্নদের দেব“।
আগের সরকারের আমলে স্কুল থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত ‘কন্যাশ্রী ওয়ান বা কে ১’-তে ছাত্রীরা ১০০০ টাকা করে বৃত্তি পেত। উচ্চমাধ্যমিক পাশের পরে পেতেন এককালীন ২৫ হাজার টাকা। বিশ্ববিদ্যালয় স্তরেও কে ২ স্কলারশিপ ছিল। বিজেপি ক্ষমতায় আসায় ডবল ইঞ্জিন সরকারে আমলে ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’ প্রকল্পটি চালু হল।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













