‘বিভাজন বিভীষিকা’ স্মরণ দিবস- এই প্রথম রাজ্যে পালিত হল ১৪ অগাস্ট। শনিবার, মৌলালি যুবকেন্দ্রের অনুষ্ঠানে সেই যন্ত্রণার কথা স্মরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর কথায়, “জিন্নার নেতৃত্বে সেদিন ভারতকে বিভাজিত করার নামে ২ হিন্দু গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল। আমরা ধরে নিয়েছিলাম, দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে দেশভাগ হবে না। সেদিন ক্ষমতার লোভে দেশভাগ হয়েছে। বিভীষিকাময় দেশভাগ। আমরা তো সবসময় পূর্ণাঙ্গ, অখণ্ড ভারত চাই।“
স্বাধীনতা দিবসের (Independence Day) আগের দিন দেশভাগের যন্ত্রণার কথা স্মরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ”জিন্নার নেতৃত্বে সেদিন ভারতকে বিভাজিত করার নামে ২ হিন্দু গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল। আমরা ধরে নিয়েছিলাম, দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে দেশভাগ হবে না। সেদিন ক্ষমতার লোভে দেশভাগ হয়েছে। বিভীষিকাময় দেশভাগ। আমরা তো সবসময় পূর্ণাঙ্গ, অখণ্ড ভারত চাই। এতদিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, শিবাজি, মহারানা প্রতাপ সবাইকে ভুলিয়ে রাখা হয়েছিল। তাঁদের ইতিহাস আমাদের আরও ভালোভাবে জানতে হবে।”
এই অনুষ্ঠানে কেন হল উত্তর কলকাতায়? তার ব্যাখ্যা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”দেশভাগের পর এই এলাকায় সবচেয়ে বিধ্বস্ত হয়। সেদিন একমাত্র রুখে দাঁড়িয়েছিলেন গোপাল মুখোপাধ্যায়। তিনি না থাকলে আজ হিন্দুরা থাকতেন না। কলকাতার একটা রাস্তার নাম ছিল সুরাবর্দি না কী। সেটা পাল্টে আমরা ‘গোপাল মুখার্জি অ্যাভিনিউ’ করেছি। আর সেই নামবদল হতেই কত গবেষণা! এই সুরাবর্দি সেই সুরাবর্দি নয় – আরও কত কী!”
গোপাল মুখোপাধ্যায়ের অবদানের কথা স্মরণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”একটি একাত্তরে বাংলাদেশ, আরেকটি ছেচল্লিশের গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং (Great Calcutta Killing), নোয়াখালি গণহত্যা। এসব ভুলব কী করে? গোপাল মুখোপাধ্যায় সেদিন না থাকলে হিন্দুরা শূন্য হয়ে যেত।”
দেশভাগের ইতিহাস নিয়ে ১৩ ও ১৪ অগাস্ট ২ দিনব্যাপী অনুষ্ঠান, বিশেষ প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়েছে। সেই সময়ের সংগ্রাম এবং বিভিন্ন ঐতিহাসিক ছবি ও নথি তুলে ধরা হয় এই প্রদর্শনীতে।
















