দিল্লির ছাত্রবিক্ষোভের আঁচ এবার বাংলায়। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ল ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) পোস্টার। তাতে বিনয়ভবন ও সঙ্গীতভবনেও নিয়মবহির্ভূত নিয়োগের চেষ্টা চলছে বলে দাবি করা হয়েছে। নিয়োগে দুর্নীতি, স্বজনপোষণ ও নিয়মবহির্ভূত সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগে গোটা বিশ্বভারতী চত্বর ছেয়ে গেল পোস্টারে। বৃহস্পতিবার, সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও শান্তিনিকেতন চত্বরের বিভিন্ন জায়গায় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র নামে লাগানো একাধিক পোস্টারে সংরক্ষিত সহকারী কর্মসচিব থেকে বাংলা, ইংরেজি ও হিন্দি বিভাগে সহযোগী এবং সহকারে অধ্যাপক নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়েছে। বিনয়ভবন ও সঙ্গীতভবনেও নিয়মবহির্ভূত নিয়োগের চেষ্টা চলছে বলে দাবি করা হয়েছে। উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও জানানো হয়েছে।
বিশ্বভারতীর দুর্নীতির বিরোধিতায় ককরোচ পার্টির পোস্টার
Sponsored

পোস্টারে অভিযোগ করা হয়েছে, বিশ্বভারতীর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শুধু স্বজনপোষণ বা অস্বচ্ছতাই নয়, আর্থিক লেনদেনও হয়েছে। পোস্টার দেখার পরই শুরু হয়েছে উত্তেজনা। প্রশ্ন উঠেছে কে বা কারা এই অভিযোগগুলি প্রকাশ্যে আনল এবং অভিযোগগুলির ভিত্তি কী। এই প্রসঙ্গে বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ বলেন, নামহীন পোস্টার নিয়ে কোনও মন্তব্য নয়। এতে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষও বিচলিত নয়। তবে অভিযোগের তীব্রতা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরেই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আধিকারিকের দাবি, নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে একের পর এক অভিযোগ বিভিন্ন মহলে জমা পড়ছে। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং বিভিন্ন কমিশনের কাছেও অভিযোগ পৌঁছেছে। তবে বিশ্বভারতীর মতো ঐতিহ্যবাহী ও বিশ্ব হেরিটেজ মর্যাদাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিয়োগ নিয়ে বারবার প্রশ্ন ওঠা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
পোস্টারে একাধিক অভিযোগ ও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। ‘শিক্ষা বাঁচাও, দুর্নীতি হঠাও, বিশ্বভারতী বাঁচাও’—এই স্লোগানকে সামনে রেখেই আরও নিয়োগ-অনিয়মের ‘পর্দাফাঁস’ করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে পোস্টারে। তবে বিশ্বভারতীর নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে ফের প্রকাশ্যে আসা বিস্ফোরক অভিযোগ শান্তিনিকেতন জুড়েই কার্যত নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা ও বিতর্ক।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













