ক্ষমতায় আসার আসার পর থেকেই রাজধর্ম পালন করার কথা বলছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু মাঝেমধ্যেই তাঁর কথা আর কাজের মধ্যে কিছুটা ফারাক থেকে যাচ্ছে। মঙ্গলবার জঙ্গলমহলে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দিলেন মিথ্যা মামলায় যাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল, তাদের অবিলম্বে মুক্তি দিন। কেশপুরে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করুন।
মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশের পর প্রশ্ন উঠেছে, তদন্ত বা বিচার প্রক্রিয়া পুরো শেষ হওয়ার আগে কী করেই তিনি বাতলে দিলেন ভুয়ো মামলায় গ্রেফতারির কথা। তিনি কী করে জানলেন মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল অভিযুক্তদের?
মঙ্গলবার জেলা পুলিশ সুপারকে উদ্দেশ্য করে মঞ্চ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, নরেন্দ্র মোদি জিন্দাবাদ বলার জন্য অনেক মানুষ অত্যাচার সহ্য করেছে। পুলিশ সুপারকে এই সমস্ত মামলা প্রত্যাহার করবেন।
এরপর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটে কেশপুরে আমাকে সভা করতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। কিছুই ভুলিনি। একইসঙ্গে তিনি ওই বাধা দেওয়ার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই জোড়া নিদান নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একজন মুখ্যমন্ত্রী কী করে মঞ্চ থেকে তদন্ত ব্যতিরেকে এই নির্দেশ দিতে পারেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল।
















