বাম আমলে বরাবরই জঙ্গলমহলের অনুন্নয়নের কথা উঠে আসত। পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন দফতর থাকলেও তার কার্যকারিতা নিয়ে বারবার সমালোচনা করতে শোনা যেত তৃণমূল আমলে বিরোধী বিজেপিকে। এবার সেই জঙ্গলমহল এবং পশ্চিম অঞ্চলের উন্নয়নে গতি আনতে ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করে ফেলল শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার।
ধর্মান্তর রুখতে আসছে কঠোর আইন, জমি কেনা-বেচার ক্ষেত্রেও বড় সিদ্ধান্ত শুভেন্দু সরকারের
জঙ্গলমহল এবং পশ্চিম অঞ্চলের উন্নয়নে গতি আনতে ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করে ফেলল শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদের পর্যালোচনা বৈঠকে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
Sponsored

মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদের পর্যালোচনা বৈঠকে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই বৈঠকে বাঁকুড়া ,পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের ক্যাবিনেট মন্ত্রী জেলাশাসক থেকে শুরু করে ৭৫ জন বিডিও উপস্থিত ছিলেন পাশাপাশি ছিলেন এই অঞ্চলের সাংসদ বিধায়করা।
বাঁকুড়া সহ জঙ্গলমহলে বিভিন্ন অঞ্চলে বিদেশী অর্থের সাহায্যে দরিদ্র মানুষকে বিভ্রান্ত করে বেআইনিভাবে ধর্মান্তরকরণ এবং মৌলবাদের যে তৎপরতা চলছে তার বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর অভিন্ন দিওয়ানী বিধি চালু করতে উদ্যোগী হয়েছে বিজেপি সরকার। এই কথা ফের একবার মঙ্গলবার জঙ্গলমহল থেকে মনে করালেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায় ,আমরা খুব শীঘ্রই অভিন্ন দেওনি বিধি নিয়ে আসছি। এক দেশ এক আইন এক মুখ্যমন্ত্রী। এর পরবর্তীকালে আমাদের লক্ষ্য হবে জোর করে ধর্মান্ধকরন রোখা এবং তার কঠোর আইন আনা। জমি কেনা বেচার ক্ষেত্রেও নতুন করে আইনের বিধি নিষেধ জারি করা হবে।
আগামী তিন মাসের জন্য একটি বিশেষ পরিকল্পনা করা হয়েছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান. সেপ্টেম্বর মাসে প্রকল্প চিহ্নিত করো ও dpr তৈরির পরে অক্টোবর মাসে টেন্ডার ডাকা হবে। পুজোর পরেই কাজ শুরু হবে যে সমস্ত পঞ্চায়েতগুলি পিছিয়ে পড়েছে সেখানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রতি অঞ্চলে ৫০ লক্ষ টাকার কাজ করা হবে।
বিগত সরকার জঙ্গলমহলের প্রতি যে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছিল তার সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ২০২৯ সালের নির্বাচনে এইসব আসনে বিজেপি জেতার পর থেকেই প্রতিশোধের কারণে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন দফতরকে কার্যত অকেজো করে দিয়েছিলেন। গত অর্থ বর্ষে এই খাতে মাত্র কুড়ি কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে যার মধ্যে কাজ হয়েছে ৬ কোটি টাকার। আমাদের সরকার আসার পরেআট মাসের যে বাজেট পেশ করেছে তার জন্য ১৬১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ কোটি টাকা কর্মী অফিসারদের বেতন বাকি ১৬০০ কোটি টাকা মূল পরিকল্পনা পাতে খরচ করা হবে।
এইসব অঞ্চলে জমি কেনা বেচার বিষক্ষে ক্ষেত্রে কি ধরনের আইন সংশোধন করা হবে সেই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি মুখ্যমন্ত্রী।মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, “আর দুটো কাজ আমার বাকি। ধর্ম পরিবর্তন আর জমি কেনাবেচার ক্ষেত্রে আইন আনা। এ কাজও আমি করছি।”
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

More from রাজ্য
View All →
নেতাজিকে অপমান মানব না: শ্যামবাজারে মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে গর্জে উঠলেন মমতা
2h ago

উলুবেড়িয়া পুরসভা পরিদর্শন-বৈঠকে বিতর্কে পুর প্রতিমন্ত্রী! ঘাড় ধাক্কা জুটল বিজেপির নেতা-কর্মীদের
3h ago

মণ্ডল সভাপতির বিরুদ্ধে তোলাবাজি-কাটমানির অভিযোগ! ফের অস্বস্তি বিজেপির অন্দরে
5h ago

৪ লাইনে ক্ষুদিরামের আত্মবলিদানকে আটকে না রেখে ছড়িয়ে দিতে হবে: বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর, ভিটের উন্নয়নে ৫ কোটি বরাদ্দ
6h ago

সভার অনুমতি শেষ মুহূর্তে বাতিলের নাটক! ক্ষুব্ধ কোর্ট বলল, "কী উদ্দেশ্যে এসব করা হচ্ছে?"
6h ago







