রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরই বিমান পরিবহন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে উদ্যোগ নিয়েছে শুভেন্দু অধিরকারীর সরকার। এই বিষয়ে কয়েকত দিন আগেই কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী রামমোহন নাইডুর সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ(সোমবার) এই বিষয়ে মৌ চুক্তি সাক্ষরিত হবে।
আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় নবান্ন সভাঘরে এই মউ স্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু হবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও থাকবেন সেখানে। নতুন বিমানবন্দর তৈরির লক্ষ্যেই এই চুক্তি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী রামমোহন নাইডু, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংহ-সহ অন্যান্যরা। যে চার বিমানবন্দর নিয়ে আলোচনা চলছে তাতে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ হল পুরুলিয়ার ছররা ও বালুরঘাট বিমানবন্দর।
ইতিমধ্যেই বালুরঘাট বিমানবন্দর পরিদর্শন সেরে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আশির দশকে বালুরঘাট থেকে ফ্লাইট চালিয়েছে বায়ুদূতও। তারপর থেকে বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে সেই বিমানবন্দর। সেখানে প্রায় দেড় হাজার মিটার লম্বা রানওয়ে রয়েছে
রাজ্যে পালাবদলের পর কেন্দ্রের উড়ান প্রকল্পের আওতায় বেশ কিছু বিমানবন্দর তৈরি এবং মানোন্নয়নের জন্য উদ্যোগী হয়েছে শুভেন্দুর সরকার। কোচবিহারও এই তালিকায় আছে। ইতিমধ্যেই জমি চিহ্নিতকরণ, ডিপিআর প্রস্তুত ও অর্থ বরাদ্দের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। এমনকি উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের প্রকাশিত প্রথম দরপত্রেও সিংহভাগ কাজ কোচবিহার জেলার জন্যই নির্দিষ্ট রাখা হয়েছে।
রাজ্যের তরফে জমি, আলো, জল-সহ অন্যান্য বিষয়ে সাহায্য করা হবে। কেন্দ্র দেখবে এয়ারপোর্টের পরিকাঠামো তৈরির বিষয়টি আর বিমান চলাচলের বিষয়টি দেখবে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া। সোমবারের মউ স্বাক্ষর কর্মসূচি থেকে মুখ্যমন্ত্রী কী বার্তা দেন, সে দিকে নজর থাকবে।















