পুজোর আগেই ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা! সরকারিভাবে এখনও পর্যন্ত আবহাওয়া দফতর বা মৌসম ভবন ঘূর্ণিঝড়ের বিষয়ে সরকারিভাবে কিছু জানায়নি। কিন্তু আশঙ্কা অমূলক নয়, শক্তি বাড়াবে নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের ল্যান্ডফল কোথায় হবে? বাংলায় কী প্রভাব? তুলে ধরা হল এই প্রতিবেদনে।
সেপ্টেম্বরের ঘূর্ণিঝড়ের এতদিনের যা রেকর্ড তা ওডিশার দিকেই যায়। বর্তমান থাইল্যান্ড উপকূলে গভীর নিন্মচাপের সৃষ্টি হয়েছে।ছে, উত্তর আন্দামান সাগরে থাইল্যান্ডের কাছে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। সেটি ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে শনিবার সন্ধ্যায় নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। আর সেটিই ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমেরিকান মডেল জিএফএস এই সিস্টেম ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে।
নিম্নচাপটি শক্তিশালী হলে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে দক্ষিণ ওডিশা ও উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। অর্থাৎ বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী ভারতের পূর্ব উপকূলই সম্ভাব্য প্রভাবের প্রধান এলাকা। তবে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ার পর এর গতিপথ আরও স্পষ্ট হবে। ওডিশার পাশেই রয়েছে বাংলার উপকূল। ফলে আশঙ্কা ক্রমশ বাড়ছে।
আগামী ২৪ বা ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই ঘূর্ণিঝড়ের ল্যান্ড ফল হতে পারে। সেই সময় ঝড়ের গতিবেগ থাকতে পারে ১১০ কি্মি। মৌসম ভবন আপাতত ঘূর্ণিঝড় নয় গভীর নিম্মচাপ হিসাবেই বিষয়টিকে দেখছে। আইএমডি জানিয়েছে, এটি মঙ্গলবার নাগাদ পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। গভীর নিম্নচাপ শক্তিবৃদ্ধি করলে অতিগভীর নিম্নচাপ হয়। তারপর আরও শক্তিবৃদ্ধিতে পরিণত হয় ঘূর্ণিঝড়ে।শনিবার সন্ধ্যার মধ্যেই নিম্নচাপটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তারপর সেটি ধীরে ধীরে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে। আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে দক্ষিণ ওড়িশা এবং উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে এগোবে। পাশাপাশি বাংলার উপর একটি মৌসুমী অক্ষরেখাও অ্যাক্টিভ রয়েছে।
এদিকে ঘূর্ণিঝড়টি তৈরি হলে এর নাম হতে পারে ‘অর্নব’, নামটি রেখেছে বাংলাদেশ। এটি ২০২৬ সালে উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে প্রথম ঘূর্ণিঝড় হবে। এর আগে সর্বশেষ ২০২৫ সালের নভেম্বরে ঘূর্ণিঝড় হিসেবে ‘দিতওয়াহ’ আছড়ে পড়েছিল।
















