মির্জা গালিব স্ট্রিটের (Mirza Ghalib Street) জতুগৃহে মর্মান্তিক মৃত্যু ঝাড়খন্ডের সন্দীপের (Sandip from Jharkhand)। বয়স মাত্র ১৯। ৬ মাস আগে যোগ দিয়েছিল চাকরিতে।
সন্দীপের কাকা জানাচ্ছেন, কাজের জন্যই ভাইপোকে কলকাতায় পাঠাই। হোটেলের গেটের কাছে ফ্রিজ (Fridge) রাখা ছিল। সেখানেই ঘুমতো। শুনলাম, ওই ফ্রিজটাই নাকি ব্লাস্ট করেছে। বাইরে না গিয়ে ভিতরে ঢুকে যাওয়ার কারণেই বেঁচে ফিরতে পারল না সন্দীপ!
হোটেলের মালিক বীরেশ্বর মিত্র (Bireshwar Mitra) এখনও অধরা। শিখা হোটেল (Shikha Hotel) থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে যাপন হোটেলেরও মালিক বীরেশ্বর মিত্র। আগুন লাগার পর যাপন হোটেলের ম্যানেজার বার বার ফোন করেছিলেন মালিককে। কিন্তু মালিক ফোন ধরেনি। এখন মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে গেলে তার ফোন সুইচড অফ শোনাচ্ছে।
মঙ্গলবার রাত দুটে থেকে আড়াইটে নাগাদ আগুন লাগে শিখা ইন নামে ওই হোটেলে। আগুন লেগেছে বুঝতে পেরে হোটেলের এক কর্মী আবাসিকদের ঘুম থেকে তোলেন। তারপরই গেটের দিকে দৌড়। ঢাকার মিরপুর (Mirpur, Dhaka) থেকে কলকাতায় চিকিৎসা করাতে এসেছিলেন এক ব্যক্তি। তিনি জানালেন, স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে হোটেলে উঠেছিলাম। বাচ্চার অপারেশন হয়েছে। রাতে হোটেলের বয় দরজায় ধাক্কা দেওয়ায় প্রাণে বাঁচি। দরজা খোলার পর সে বলে, আগুন লেগেছে। এক্ষুনি নেমে আসুন। বাচ্চা নিয়ে কোনওক্রমে দৌড়াই। ব্যাগ ভিতরে রয়ে গিয়েছে। তাইবা হোটলের ৪ নম্বর রুমে ছিলাম, ফাস্ট ফ্লোরে।
অনেকেই আহত হয়ে হাসপাতালে। মৃতের সংখ্যা সেই কারণে বাড়ে কিনা সেটাই দেখার।
















