বায়ুদূষণ (Air pollution) কমাতে রাজ্যজুড়ে কী কী কাজ করা হবে, তা স্পষ্ট করে জানতে চাইল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। শুধু পরিকল্পনা তৈরি করলেই হবে না, সেই পরিকল্পনা কবে থেকে এবং কী ভাবে কার্যকর করা হবে, তারও নির্দিষ্ট সময়সীমা জানাতে হবে। এই বিষয়ে রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে (Pollution Control Board) বিস্তারিত ‘রোডম্যাপ’ তৈরির নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বায়ুর গুণমান নিয়ে আইনজীবী আকাশ শর্মার দায়ের করা জনস্বার্থ মামলার পাশাপাশি আদালতের স্বতঃপ্রণোদিত মামলাটিও চলছে। প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে (Ravindra V Ghuge) এবং বিচারপতি ওম নারায়ণ রাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাগুলির শুনানি হচ্ছে।

গত ২১ সেপ্টেম্বরের শুনানিতে রাজ্যের তরফে জানানো হয়, গোটা রাজ্যে দূষণ কমানো এবং এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (Air Quality Index) উন্নতির জন্য একটি নির্দিষ্ট নীতি প্রয়োজন। সেই নীতি কার্যকর করতে রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে বলেও জানানো হয়।

পর্ষদের পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই একটি সংক্ষিপ্ত রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে। তবে এবার আরও বিস্তারিত রিপোর্ট হলফনামা আকারে জমা দিতে হবে। সেখানে দূষণ কমানোর উপায়, কী কী পদক্ষেপ করা হবে এবং সেই কাজ কী ভাবে এগোবে, তা জানাতে হবে।

আদালতের নির্দেশ, বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করেই এই রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে। আগামী ১৩ অক্টোবরের মধ্যে রিপোর্ট ও হলফনামা জমা দিতে বলা হয়েছে।

এর পাশাপাশি উৎসবের মরসুমে বাজির কারণে যাতে বায়ুদূষণ না বাড়ে, সেদিকেও নজর দিতে রাজ্য ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ২০২২ সালের ১১ অক্টোবর দেওয়া আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৯ নভেম্বর।