রাজনৈতিক সভায় ফের আক্রান্ত সিপিএম। বামেদের সভাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল বিরাটি। বণিক মোড়ে ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে একটি সবার আয়োজন করা হয়েছিল যেখানে মুখ্য বক্তা ছিলেন সুজন চক্রবর্তী দীপ্সিতা ধররা। কিন্তু সভা শুরু আগেই রীতিমতো রণক্ষেত্র হয়ে উঠে গোটা এলাকা।
এসএফআই একটি সভার আয়োজন করেছিল। সকাল থেকে সেই সভার প্রস্তুতি চলছিল। মঞ্চ বাঁধা, মাইক লাগানোর কাজে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। বিকেলে সভা শুরুর আগে পরিস্থিতি চরমে ওঠে। কিন্তু সভামঞ্চ ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। অভিযোগ, শুধু মঞ্চ নয়, ভাঙা হয় চেয়ার, ছিঁড়ে ফেলা হয় ব্যানার। এমনকি গান্ধীজির ছবিও ছিঁড়ে ফেলা হয়।
এসএফআইয়ের অভিযোগ, সভামঞ্চ তৈরির পর থেকেই তা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। সকালে যাঁরা মাইক বাঁধতে এসেছিলেন, তাঁদের চলে যেতে বলা হয়। এ-ও হুমকি দেওয়া হয়, যদি তাঁরা মাইক বাঁধেন তা হলে আর ভবিষ্যতে কাজ পাবেন না। প্রাণের ভয়ে তাঁরা ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান।
বামেদের অভিযোগ, সভা শুরুর আগেই বিজেপি আশ্রিত সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা সেখানে চড়াও হয়ে ব্যাপক মারধর ও তোলপাড় চালায়। এই ঘটনায় কয়েকজন গুরুতর আহত হন। এমনকি একজনের চোখে আঘাত লাগে।
এই প্রসঙ্গে বাম নেত্রী দীপ্সিতা ধর বলেন, “নির্বাচনের আগে দেওয়া সমস্ত প্রতিশ্রুতি এখন মুখ থুবড়ে পড়েছে। পায়ের তলায় মাটি হারিয়ে শাসকদল এখন বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে শারীরিক হিংসার পথ বেছে নিয়েছে।”
যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উত্তর দমদমের বিধায়ক সৌরভ সিকদার। তাঁর কথায়, "এটা একেবারেই ভিত্তিহীন কথা। নিজেদের গুরুত্ব বাড়াতে এবং অস্তিত্বের সংকটে থাকা সিপিএম এমন ভুলভাল কথা বলছে। সাধারণ মানুষ প্রত্যাখ্যান করে, তাঁদের কথা শুনতেও চায় না।"















