'বিশেষ রাজনৈতিক মতবাদ এবং ব্যক্তির কথা' রয়েছে- সেই অজুহাতে রাজ্যের স্কুল পাঠ্যক্রম থেকে বাদ 'কন্যাশ্রী' প্রকল্প এবং 'সিঙ্গুর আন্দোলন'-এর ইতিহাস। পাশাপাশি, 'আব্বা', 'আম্মা', 'পানি'-র দৈনন্দিন ব্যবহারের আরবি ও ইসলামি শব্দও ছেঁটে ফেলা হচ্ছে বলে খবর। 

এই বিষয়ে সিলেবাস কমিটির চেয়ারম্যান দেবাশিস চট্টোপাধ্যায়ের যুক্তি, কন্যাশ্রী বা সিঙ্গুর আন্দোলনে 'বিশেষ রাজনৈতিক মতবাদ এবং ব্যক্তির কথা' রয়েছে। সেই কারণে সেগুলি পরিমার্জন করা হচ্ছে। তবে, শুধু আগের সরকারের প্রকল্প বা আন্দোলনের ইতিহাসই নয়, পাঠ্যবইয়ে মোগল ইতিহাসকেও সংক্ষেপিত করার তোড়জোড় চলছে বলে সিলেবাস কমিটি সূত্রে খবর। 

তবে, এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মন। "কমিটি সুপারিশ জমা দিলে তবেই সিদ্ধান্ত" বলে গোটা বিষয়টির সুকৌশলে এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। তাঁর মুখে শুধু ২০০ থেকে ২১০টি লেসন প্ল্যানের মধ্যে পাঠক্রম শেষ করার এবং শিক্ষাদিবস বাড়ানোর কথা।
আরও পড়ুন: শান্তিনিকেতনে জুড়ল নয়া পালক! ধ্রুপদী বাংলা ভাষার উৎকর্ষ কেন্দ্র বিশ্বভারতী

তবে, শিক্ষক মহলের একাংশের অভিযোগ, লেসন প্ল্যান বা শিক্ষাদিবস বাড়ানোর তত্ত্ব নিতান্তই আইওয়াশ। আসল লক্ষ্য হল, শিক্ষার খোলনলচে বদলে দিয়ে সেখানে গৈরিকীকরণের চেষ্টা। রাজনৈতিক পালাবদলের জেরেই রাজ্যের কচি-কাঁচাদের সিলেবাসের উপর কোপ বলে মত তাদের।