রাজ্যে আঞ্চলিক বিমান যোগাযোগ আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে কলাইকুন্ডা ও হাসিমারা বিমানঘাঁটিকে (Kalaikunda and Hashimara airbases) অসামরিক বিমানবন্দরে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখনও পর্যন্ত জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়নি। রাজ্য সরকারের তরফে প্রয়োজনীয় জমি এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়ার (Airports Authority of India) হাতে তুলে দেওয়া না হওয়ায় প্রকল্প দুটির অগ্রগতি এখনও আটকে রয়েছে বলে কেন্দ্রীয় বিমান মন্ত্রকের দেওয়া তথ্যে জানা গিয়েছে।
আকাশপথে যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ, জমির অপেক্ষায় কলাইকুন্ডা-হাসিমারা বিমানঘাঁটি
Sponsored

সম্প্রতি রাজ্য বাজেটেও এই দুই বিমানঘাঁটিকে অসামরিক বিমানবন্দরে রূপান্তরের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছিল। এ নিয়ে রাজ্যের তরফে উদ্যোগের কথাও জানানো হয়। এর মধ্যেই বিমান মন্ত্রকের কাছে রাজ্যসভার সাংসদ রাহুল সিংহের করা প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্র জানিয়েছে, কলাইকুন্ডার জন্য ৩৮.২৫ একর এবং হাসিমারার জন্য ৩৮ একর জমি চেয়েছিল এএআই। তবে এখনও সেই জমি হস্তান্তর করা হয়নি।
বর্তমানে দুই বিমানঘাঁটিই ভারতীয় বায়ুসেনার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কেন্দ্রের ‘উড়ান’ প্রকল্পের আওতায় অসামরিক বিমান চলাচলের সম্ভাব্য ক্ষেত্র হিসেবে কলাইকুন্ডা ও হাসিমারাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। আগামী দশ বছরে দেশের বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থার সম্প্রসারণে ‘উড়ান’ প্রকল্পের অধীনে ২৮,৮৪০ কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে। এর আওতায় ১০০টি নতুন বিমানবন্দর এবং ২০০টি আধুনিক হেলিপ্যাড তৈরির লক্ষ্যমাত্রাও রয়েছে।
প্রকল্প দুটির ভবিষ্যৎ নিয়ে বিমান মন্ত্রক জানিয়েছে, রাজ্য সরকারের তরফে প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তর এবং প্রস্তাব জমা দেওয়া হলে তা নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় বিবেচনা করা যেতে পারে। ফলে জমি হস্তান্তরের বিষয়টি দ্রুত এগিয়ে নেওয়া গেলে কলাইকুন্ডা ও হাসিমারায় অসামরিক বিমান পরিষেবা চালুর উদ্যোগ আরও গতি পেতে পারে।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













