মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গায়ে যদি হাত পড়ে, গোটা পশ্চিমবঙ্গ জেগে উঠবে। রবিবার হালিশহরে মৃত তৃণমূলকর্মীর বাড়িতে দাঁড়িয়ে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মৃত কর্মীর বাড়ির পথে যেভাবে দুষ্কৃতী মোতায়েন করে রাখা হয়েছিল, তাতে স্পষ্ট পূর্বপরিকল্পিত চক্রান্ত হয়েছিল। আমরা যেটা দেখলাম, তাতে আমাদের মনে হয়েছে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মারার চক্রান্ত করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনা ঘটলে বাংলা থামবে না। বাংলা জেগে উঠবে।

 


 
হালিশহরে দলনেত্রীর সঙ্গে ছিলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কল্যাণ বলেন, বিজেপির লোককে দিয়ে পুলিশকে সামনে রেখে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। শুধু দিদির দু-তিনজন নিরাপত্তারক্ষীর জন্য আমরা আজ বেঁচে গিয়েছি। নাহলে লোকাল পুলিশের হাতে আমরা শেষ হয়ে যেতাম। শুভেন্দু অধিকারী পুলিশি-ব্যবস্থার বারোটা বাজিয়ে দিয়েছেন। পুলিশকে সর্বোচ্চ ক্ষমতা দেওয়ার কথা বলেছিলেন, তাই আজ কাস্টোডিয়াল ডেথ। আর এই কাস্টোডিয়াল ডেথ যখন হয়, এর বিচার হবেই। বাড়ির লোককে ভয় দেখিয়ে রেখেও এই বিচার ব্যবস্থা থেকে সরিয়ে রাখতে পারবেন না। মমতাদি আছেন। আমরা আছি। যতই ভয় দেখিয়ে বাড়ির ভিতর ঢুকিয়ে রাখা হোক, শুধু বাংলা কেন ভারতবর্ষের মানুষ দেখবে বিচারব্যবস্থা কী। এই আইসি থেকে শুরু করে সমস্ত দোষী পুলিশ আধিকারিকের শাস্তি হবে। আমরা ডিজি এবং সিপির ইমিডিয়েটলি রেজিগনেশন চাই। কারণ ডিজি ও সিপির নির্দেশে রাত্রিবেলা লেডিস হস্টেলে তুলে নিয়ে গিয়ে পিটিয়ে মারা হয়েছে দলের কর্মীকে। আমরা এর বিচার চাই। এফআইআরে মৃত তৃণমূলকর্মীর নাম ছিল না। তারপরও যেভাবে তাঁকে পিটিয়ে মারা হল, এর জবাব দিতে হবে প্রশাসনকে। এদিন আমরা কাঁচরাপাড়ায় ঢোকার পর যেভাবে বিজেপি অত্যাচার করছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে শুভেন্দু অধিকারী পুলিশ দিয়ে রাজত্ব চালাচ্ছে। শুভেন্দু অধিকারী মাফিয়াদের রাজ্য তৈরি করে দিয়েছে।