বিধানসভার প্রক্রিয়ায় আদালত হস্তক্ষেপ করবে না, জানা ছিল। সংশ্লিষ্ট নিয়মও জানা ছিল। তবুও বলতে না দেওয়ার বিষয়ে কলকাতা হাই কোর্টে কেন মামলা করলেন কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)? আদালত প্রত্যাশিতভাবে হস্তক্ষেপ না করলেও শুক্রবার মামলা শেষে হাসিমুখে কুণালের আইনজীবী বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য ও অয়ন চক্রবর্তী। কারণ কুণালের কৌশলী উদ্দেশ্যসাধন হয়ে গিয়েছে।
এতদিন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক কুণাল ঘোষকে বলতে না দেওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছিলেন বিধানসভার (Assembly) স্পিকার রথীন্দ্র বসু (Speaker Rathindra Basu)। তিনি না দুই মুখ্য সচেতক, নাকি পরিষদীয় মন্ত্রী- কার সঙ্গে এবিষয়ে কথা বলবেন কুণাল? তিনি ঘুরে মরছিলেন। এদিন কিন্তু কোর্টের নির্দেশে স্পষ্ট করা হয়েছে কুণাল তাঁর বক্তব্য স্পিকারকেই বলবেন। অর্থাৎ স্পিকারই আসল কর্তৃপক্ষ, তিনি এড়াতে পারবেন না।
এটাই কুণালরা চাইছিলেন। দীর্ঘ শুনানির পর বিচারপতি কৃষ্ণা রাও (Krishna Rao) এটি নিশ্চিত করে দেন কুণাল 'উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ', এক্ষেত্রে স্পিকারের কাছেই তাঁর বক্তব্য জানাবেন। আদালত পরিষদীয় কাজে হস্তক্ষেপ না করলেও এই নির্দেশ দিয়ে দিয়েছেন। ফলে কুণাল খুশি। তিনি বলেন, "আমাকে এর ওর দিকে দায় ঠেলে ঘোরানো হচ্ছিল। সেটা বন্ধ হল। স্পিকারকে যা বলার বলব। তারপরেও কাজ না হলে আবার আদালতে যাব।"
















