এনসিপিআই-র নতুন রাজ্য কমিটি। তার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ (WhatsApp Group)। আর সেখানে অ্যাড করা হয়েছে কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। স্ক্রিনশট দেখিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন বেলেঘাটার তৃণমূলের বিধায়ক। বুধবার, বিধানসভায় সাংবাদিক বৈঠকে মোবাইলে সেই গ্রুপ খুলে দেখিয়ে কুণালের দাবি, গ্রুপের ‘বিষাক্ত লোকেদের’ সামলাতেই সাংবাদিক কুণাল ঘোষকে গ্রুপে রেখেছেন অ্যাডমিন।
রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই দলবদলের খেলা চলছে। প্রথমেই তৃণমূল ছেড়ে NCPI-তে যোগ দেন ২০ জন সাংসদ। রাজ্যে আলাদা শিবির গড়েছেন বিধায়করা (MLA)। কিন্তু দলের কঠিন পরিস্থিতিতেও দলনেত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে চালিয়ে খেলছেন কুণাল ঘোষ। এর মধ্যেই মঙ্গলবার এনসিপিআই-র নতুন রাজ্য কমিটি ঘোষণা হয়েছে। সেই নিয়ে এদিন বিস্ফোরক তথ্য় সামনে আনলেন মমতা তৃণমূলের বিধায়ক। তাঁকে এনসিপিআই-এর গ্রুপে অ্য়াড করা হয়েছে।
ছবি দেখিয়ে কুণাল জানান, ওই গ্রুপটার নাম ‘এনসিপিআই-ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনশিপ পার্টি অব ইন্ডিয়া’। এটি পশ্চিমবঙ্গ অসম ত্রিপুরা রাজ্য কমিটির গ্রুপ বলে জানিয়েছেন তিনি। বিধায়কের কথায়, এটা দলের পুরনো টিমের গ্রুপ। তিনি বলেন, গ্রুপে যুক্ত করার পর তিনি ফোন করে প্রশ্নও করেছিলেন। কুণাল বলেন, “আমি ফোন করে বললাম, আমাকে কেন অ্যাড করলেন? আমাকে বলা হল, আপনি সাংবাদিক। অনেক খারাপ লোক এসেছে, আপনার কাছে পরামর্শ নেব বলে রেখেছি।”
তবে এরপর আর ওই গ্রুপ থেকে বেরোননি কুণাল। সরস টিপ্পনি কেটে তিনি বলেন, “ভালবেসে গ্রুপে অ্যাড করেছে। আমিও বেরইনি। ধোপার বাড়ি যাওয়া ২০ জন যখন বলল এনসিপিআইতে আছি, তারা গ্রুপ তৈরি করেছে। একদিন সকালে দেখলাম গ্রুপে অ্যাড করা হয়েছে। গতিবিধি দেখে অ্যাডমিনকে ফোন করলাম। বলল আপনি তো সাংবাদিকও। তাই আপনাকে অ্যাড করে রাখলাম। ভালবেসে একটা দল তৈরি করেছিলাম। আর সেখানে বিষ মাল এসেছে। তাই আপনাকে গ্রুপে অ্যাড করে রাখলাম।”
















