বিজেপির প্রোকেটশন নিয়ে নিজেদের বাঁচাতে এনসিপিআইতে গিয়েছে বেইমানেরা। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন পরচুলা। এ হেন গদ্দারদের নিয়ে রাজনৈতিক মহলে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। সাধারণ মানুষও ক্ষুব্ধ।

মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে বিশ্বাঘাতকদের উদ্দেশ্য তীব্র কটাক্ষ করে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের সাংসদ হিসাবে জিতেছেন এঁরা। ২০২৪ সালে নির্বাচিত, ২০২৯ পর্যন্ত। এর পরই বিধায়ক প্রশ্ন তুলে বলেন, এঁরা কোন দলের প্রার্থী? নমিনেশন কে দিয়েছেন? প্রতীক কী? ভোট কারা দিয়েছেন? এসব প্রশ্ন তাঁদের করা হলে কী উত্তর দেবেন? দল তৃণমূল কংগ্রেস। নমিনেশন দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের প্রতীক জোড়া ফুল। তৃণমূলের প্রতীকে জিতে এঁরা জিতে বেইমানি করছেন। আর বিশ্বাসঘাতকদের কোলে বসিয়ে বিল পাশের জন্য সাংসদের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছে বিজেপি। এটা বিজেপির দীনতা। এ-ছাড়াও এখানে কিছু বেইমান যারা তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে অ্যান্টি বিজেপি ভোট পেয়ে দিল্লি গিয়েছে, আর এরপর নরেন্দ্র মোদি তাঁর সমর্থনে বসছে এই বৈপরিত্যটাই হল বিশ্বাসঘাতকতা, বেইমানি এবং এটাই গদ্দারি। এর পরই এই বেইমান সাংসদদের তীব্র আক্রমণ শানিয়ে বিধায়ক বলেন, এঁরা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাশে বসতে পারলেও মানুষের হৃদয়ে বসতে পারবেন না। ব্যক্তিগত অঙ্কে এরা বিজেপি-বিরোধী ভোট নিয়ে সংসদে গিয়ে বিজেপির দালালি করছে। এটা মানুষের কাছে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। এনসিপিআইয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে যে তিনি বৈঠক করেছেন এই ভবিষ্যৎ অন্ধকার।