লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে কন্যাশ্রী, রূপশ্রী প্রকল্পের অধীনে মহিলাদের আর্থিক সহায়তা বাড়িয়ে নারী ক্ষমতায়নের দিশা দেখিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কর্মসংস্থান তৈরি ও ব্যবসার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করাই ছিল বিগত ১৫ বছরের সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
যুগান্তকারী লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের অধীনে ২.৪ কোটি মহিলা আর্থিক এবং সামাজিকভাবে ক্ষমতায়িত হয়েছেন। কন্যাশ্রী প্রকল্পের অধীনে ১৮,০০০টি প্রতিষ্ঠান জুড়ে ১ কোটি মেয়ে উপকৃত হয়েছে।রূপশ্রী প্রকল্পের অধীনে ২২ লক্ষেরও বেশি মহিলা তাঁদের বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন। রাজ্যে ২০ লক্ষেরও বেশি বিধবা মহিলা পেনশন পান। সবুজশ্রী প্রকল্পের অধীনে, নবজাতকের মায়েদের মধ্যে ৬৮ লক্ষ চারাগাছ বিতরণ করা হয়েছে।মহিলাদের মালিকানাধীন MSME-এর সংখ্যার নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ দেশের মধ্যে ১ নম্বর স্থানে রয়েছে, যেখানে মোট ৩১ লক্ষ মহিলা উদ্যোগপতি রয়েছেন।স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে দেওয়া ঋণের পরিমাণ ২০১০-’১১ সালের ৫৩১ কোটি টাকা থেকে প্রায় ৭০ গুণ বেড়ে ২০২৫-’২৬ সালে ৩৫,০০০ কোটি টাকা হয়েছে।আনন্দধারা প্রকল্পের মাধ্যমে ১.২১ কোটি মহিলাকে জীবিকার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সংখ্যা ২০১০-’১১ সালের প্রায় ১ লক্ষ থেকে প্রায় ১২ গুণ বেড়ে ২০২৫-’২৬ সালে ১২ লক্ষেরও বেশি হয়েছে।
স্বনির্ভর গোষ্ঠীর আওতাধীন ৫ লক্ষ মহিলাকে পোশাক ও ইউনিফর্ম তৈরির কাজে নিযুক্ত করা হয়েছে, যার ফলে ১.৫ কোটি কর্মদিবস তৈরি হয়েছে।মহিলাদের বিরুদ্ধে ঘটা অপরাধের ক্ষেত্রে আরও শক্তিশালী আইনি সুরক্ষা তৈরি করতে ২০২৪ সালে আমাদের সরকার অপরাজিতা বিল পেশ করে।
তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের চালু করা রাত্তিরের সাথী অ্যাপ রাতের শিফটে কাজ-করা বা অন্ধকার নামার পর যাতায়াত করা মহিলাদের বিপদের সময় তাৎক্ষণিক সাহায্য নিশ্চিত করে।
বাংলার পঞ্চায়েতে মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব ৫১.৪%, যা জাতীয় গড় ৪৫.৬%-র চেয়ে বেশি।বাংলায় প্রাতিষ্ঠানিক প্রসবের হার এখন ৯৯.১৩%, যা প্রায় সকল মহিলাকে নিরাপদে প্রসবের ব্যবস্থাকে সুনিশ্চিত করছে।
















