বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে ইচ্ছাকৃতভাবে ভোটারদের নাম বাদ ও ভোট চুরি করে জোর করে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারানো হয়েছে বলে বারবার দাবি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর বিরোধিতায় আগাগোড়াই নির্বাচন কমিশন ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূল সুপ্রিমো। সম্প্রতি I.N.D.I.A-র বৈঠক থেকে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার উৎখাতের ডাক দিয়েছিলেন মমতা, প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন ককরোচ জনতা পার্টির দাবি ও আন্দোলনকে। এবার ফের দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। যেভাবে গত দুদিন ধরে অমিত শাহের নিয়ন্ত্রণাধীন দিল্লি পুলিশ সাংসদদের আটক করেছে, নির্বাচন কমিশন অভিযান থেকে শুরু করে যন্তর মন্তর কর্মসূচিতে কার্যত রণক্ষেত্র পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবার সেই আবহে মমতার দিল্লি যাত্রা রাজনৈতিক দিক থেকে নিঃসন্দেহে তৎপর্যপূর্ণ।
আরও পড়ুন: ভোরে বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে দুষ্কৃতী হামলা, থানার দ্বারস্থ প্রাক্তন মেয়র!
সূত্রের খবর বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে রাজধানীর উদ্দেশে রওনা দিতে পারেন মমতা। সেক্ষেত্রে শুক্রবার তিনি দেশের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন। তবে সব থেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মনে করা হচ্ছে আগামী ১০ অক্টোবর (শনিবার) সিজেপির তরফ থেকে যে দিল্লি চলো কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে যন্তর মন্তরে, সম্ভবত সেখানেও যেতে পারেন তৃণমূল সুপ্রিমো। যদিও এই বিষয়টি এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। এর আগেই ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন তাঁদের সমর্থন করার জন্য। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন অভিযানকে ঘিরে সাংসদদের প্রতিবাদ কর্মসূচিকে সামনে থেকে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব দেন রাহুল গান্ধী , অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা। বুধবার পুলিশের হাতে আটক হন কংগ্রেস নেতা নেত্রী থেকে শুরু করে তৃণমূল সাংসদরাও।এই কর্মসূচিতে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের হাত কেটে গিয়েছে। আটক করা হয় ডেরেক ও'ব্রায়েনকেও
একদিকে রাজনৈতিক আন্দোলন অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্টের ধাক্কায় চাপ বাড়ছে জ্ঞানেশ কুমারের। মহালয়ায় রাজধানীতে কার্যত মহারণের প্রস্তুতি বিরোধী শিবিরে। এই আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি যাত্রা যে আন্দোলনের তীব্রতা আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দেবে তা বলাই বাহুল্য।















