জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) বেকারির ভিতর থেকে উদ্ধার ম্যানেজারের (Manager) রক্তাক্ত দেহ। শুক্রবার সকালে নয়াবস্তি এলাকার প্যারিস বেকারিতে (Paris Bakery) ওই দৃশ্য সামনে আসতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। মৃতের নাম হাফিজুর রহমান (Hafizur Rahman)। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার পুলিশ (Kotwali Police Station personnel) ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। কী ভাবে বেকারির ভিতরে এই খুনের ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: চার সপ্তাহ সময় মিলল না, ৮ অক্টোবরের মধ্যেই জবাব দিতে হবে NCPI সাংসদদের
হাফিজুরের বাড়ি হুগলির পুরশুড়া (Purshura, Hooghly) থানা এলাকায়। কাজের সূত্রে দীর্ঘদিন ধরেই জলপাইগুড়িতে থাকতেন তিনি। নয়াবস্তির ওই বেকারিতে ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতেও তিনি বেকারিতেই ছিলেন। পরদিন সকালে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর যায় পুলিশে। পরিবারের সদস্যদেরও ঘটনার কথা জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: হাই কোর্টে বড় ধাক্কা মিলনের, খারিজ রক্ষাকবচ
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, লুঠের উদ্দেশ্যে বেকারিতে ঢুকেছিল দুষ্কৃতীরা। বাধা দেওয়ায় হাফিজুরের উপর হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। তবে এখনও পর্যন্ত খুনের আসল কারণ নিশ্চিত নয়। ব্যক্তিগত শত্রুতার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বেকারির আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে ঘটনার আগের ও পরের সময়ের ছবি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঠিক কী ভাবে এবং কারা এই ঘটনা ঘটাল, তা জানার চেষ্টা চলছে।
















