প্রচারের প্রথম দিনেই পাথরপ্রতিমায় যে রেকর্ড ভিড় দেখল বাংলা, তা স্রেফ হেলিকপ্টার দেখার কৌতূহল ছিল না। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে বোঝা গেল, এই জমায়েতের নেপথ্যে রয়েছে এক গভীর আবেগ। উপস্থিত মহিলারা স্পষ্টই জানালেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের জন্য যা করেছেন, তার বিনিময়ে তাঁরা শুধু নিজেদের ভোটটুকুই দিতে পারেন। তাঁদের মতে, ঘরের মেয়েকে সমর্থন জানানোই এখন প্রধান লক্ষ্য। এলাকার মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত আবেগকেই তৃণমূলের আসল ‘ফিক্সড ডিপোজিট’ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল, যা গত ১৫ বছর ধরে দলকে সাফল্যের ডিভিডেন্ড দিয়ে চলেছে।
সভায় দাঁড়িয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শুরুতেই পাথরপ্রতিমার মাটিকে প্রণাম জানান। তিনি বলেন, প্রচারের এই যুদ্ধ তিনি শুরু করলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই প্রান্তিক অঞ্চল থেকে, আর তা শেষ করবেন নিজের কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারে গিয়ে। সামনের জনসমুদ্রে তখন সমর্থনের ঢেউ। সভার মেজাজ বুঝিয়ে দিচ্ছিল, রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে মমতার ধারেকাছে এখনও কেউ নেই। তৃণমূল প্রার্থী সমীর জানাকে বিপুল ভোটে জয়ী করার ডাক দিয়ে অভিষেক যখন বক্তৃতা শেষ করছেন, তখন পাথরপ্রতিমার আকাশ-বাতাস ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’ স্লোগানে মুখরিত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রচারের প্রথম দিনেই এই জনজোয়ার প্রমাণ করে দিল যে গ্রামীণ বঙ্গে ঘাসফুল শিবিরের জমি কতটা শক্ত।
আরও পড়ুন- আধাসেনা মোতায়েনে কলেজে! পিছোল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা
_
_
_
_
_
_
















