আজ(শুক্রবার) নজরে নন্দীগ্রাম, রেজিনগরের উপ নির্বাচনের ফলাফল। দুই কেন্দ্রেই গণনা শুরু  হওয়ার সময় সকাল ৮ ।দুই কেন্দ্রে গণনাকে কেন্দ্র করে পুজোর আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা রয়েছে। দুই জেলায় কড়া নিরাপত্তায় গণনা শুরু হতে চলেছে।  গণনা কেন্দ্রের বাইরে ত্রি স্তরীয় নিরাপত্তা বলয় আছে। সরকার বদলের পর প্রথম উপভোট দেখল রাজ্য।পোস্টালের পর  evm গণনা হবে। মোট ১৫ রাউন্ড গণনা হবে।

 পোস্টাল ব্যালট গণনা শুরু হয়েছে।   রেজিনগরে  কেন্দ্রে  শুরুতেই এগিয়ে গেল বিজেপি। নন্দীগ্রামে সকাল ৮ শুরু হয়নি গণনা। নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রয়াত আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথ বিজেপি প্রার্থী। কংগ্রেসের টিকিটে ভোটে লড়ছেন মিলন প্রধান। তাঁকে সমর্থন জানিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাট তৃণমূল। লড়াইয়ে আছেন সিপিআই প্রার্থীও।

গণনার দিন সকালে তিনি বললেন, “যেখানে মানুষ অবাধে ভোট দিতে পেরেছে, সেখানে কংগ্রেসে ভোট পড়েছে। কার কাছে রিপোল চাইব? যিনি রিপোল করাবেন, তিনিই তো ভোট করাচ্ছেন। নন্দীগ্রামে ঘুরে যা বুঝেছি, সঠিক ভোট হলে ২০ থেকে ২৫ হাজার ভোটে আমি জিততাম।” প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, “আমরা তো পুনর্নির্বাচন দাবি করেছিলাম। ভোট ভালোভাবে হলে মিলন প্রধান জিততেন।”

রেজিনগরে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার। এ ছাড়া, কালীঘাট শিবিরের প্রার্থী হিসেবে সেখানে লড়ছেন রবিউল আলম চৌধুরী। এছাড়াও সিপিএম, ঋতব্রত তৃণমূল, কংগ্রেস এখানেই লড়াইয়ে আছে। আসন ধরে চ্যালেঞ্জ আম জনতা উন্নয়ন পার্টির।  ফলে এই কেন্দ্রে লড়াই তুঙ্গে। রেজিনগরে কংগ্রেস প্রার্থী মহম্মদ আব্দুল্লাহিল কাফি বলেন, “যত সংখ্যক ভোটার তার থেকে বেশি ভোট পরেছে কিনা সেটাই দেখার জন্য এসেছি।”

 

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, ‘যা লুট করার ভোটের দিনই করে নিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের প্রতি সম্মান জানিয়েই গণনায় এজেন্ট দিয়েছি।