এনডিএ-র মঙ্গল মিলন বৈঠকে যোগ দিলেন না এনসিপিআই-এর তিন সাংসদ। আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং ইউসুফ পাঠান। মঙ্গলবার এই হাইপ্রোফাইল বৈঠকে 'সর্বাঙ্গীন একতা'র  বার্তা দিয়েছিলেন সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু কোথায় কী? ছিলেন না ২০ সাংসদ। 

আবু তাহের এবং খলিলুর রহমান সাফ জানিয়ে দেন, "আমরা এনসিপিআই-তে আছি, এনডিএ-তে নেই। আমরা ধর্মনরপেক্ষতার পক্ষে আছি। এমন যদি কোনও বিল আসে যা সংখ্যালঘু আবেগ বা স্বার্থকে আঘাত করছে, আমরা তার বিরুদ্ধে থাকব। এমন পদক্ষেপ করতে দেব না। আবার বাংলার উন্নয়নের স্বার্থে দেশের বিকাশের প্রশ্নে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করব।"

এদিন এনডিএ বৈঠকে যোগ না দিলেও, তাঁরা দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকে বঙ্গভবন গিয়েছেন। রাজ্য সরকারের পূর্বনির্ধারিত সূচির কারণে গত সপ্তাহে এই বৈঠক পিছিয়ে গেলেও এ দিন তা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সুদীপ জানান, নিজেদের সংসদীয় এলাকায় রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে যৌথ ভাবে কাজ করার রোডম্যাপ এবং উন্নয়নের গতি বাড়ানোর বিষয়েই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করবেন তাঁরা।

আরও পড়ুন: সময়ে পৌঁছায়নি ভবানীপুর ভোট-মামলার নথি! রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে রিপোর্ট তলব ক্ষুব্ধ হাই কোর্টের

সংসদীয় এলাকায় রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার রোডম্যাপ নিয়ে এই বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও, তিন সংখ্যালঘু সাংসদের দূরত্ব তৈরির ফলে এনসিপিআই-এর অন্দরে অস্বস্তি যে বাড়ছে, তা বলাই বাহুল্য। নির্বাচনের পর তৈরি হওয়া এই নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে শেষ পর্যন্ত কোন দিকে জল গড়ায়, এখন সেটাই দেখার।